সাউথ এশিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর রিজিওনাল কো-অপারেশন (সার্ক) বৃহত্তম আঞ্চলিক সম্মেলনকে কিছুটা অর্থবহ করতে বৃহস্পতিবার নেপালে দক্ষিণ এশীয় নেতৃবৃন্দের রুদ্ধদ্বার কক্ষে চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তাদের লক্ষ্য কয়েকটি চুক্তিতে সমঝোতায় আসা।
বৃহত্তম আঞ্চলিক এ সম্মেলনে মন্থর গতির কারণে বুধবার হতাশা ব্যক্ত করেছেন সার্কভুক্ত সকল দেশের নেতারা। আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ গণি একে রাজনৈতিক সদিচ্ছার ব্যর্থতা হিসেবে অভিহিত করেছেন বলে জানা যায় এএফপি থেকে।
উল্লেখ্য, ভারত ও পাকিস্তানের তিক্ত সম্পর্কের কারণে এবারের সার্ক শীর্ষ সম্মেলন স্থবিরতায় রূপ নেয়।
ভারত সরকারের এক সূত্র জানা যায়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আজ সকালে ধূলিখেল পর্যটন কেন্দ্রে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এক অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে বসতে পারেন। যদিও এ ব্যাপারে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।
মোদি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফ ছাড়া বুধবার সার্কভুক্ত প্রতিটি দেশের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন।
এক্ষেত্রে উভয় পক্ষই বলছে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের বিষয়ে অপর পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানোর ওপর বিষয়টি নির্ভর করছে।
বিশ্লেষকরা সার্ক সম্মেলন ব্যর্থ হওয়ার জন্য ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার শীতল সম্পর্ককে দায়ি করছেন।
বুধবার দীর্ঘ ৪ ঘণ্টা মাত্র দুটি আসন দূরে বসা সত্ত্বেও প্রতিবেশি রাষ্ট্রের দুই নেতা একে অপরের প্রতি মাথা নেড়ে সামান্য সৌজন্যমূলক সম্ভাষণও জানাননি।
নেতৃবৃন্দরা এ সম্মেলনে সড়ক ও রেল যোগাযোগ এবং বিদ্যুৎ সংযোগ সংক্রান্ত চুক্তি হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদ প্রকাশ করলেও তা এখনও বাস্তবে রূপ নেয়নি।
কর্মকর্তারা বলছেন, পাকিস্তান এ চুক্তিগুলো আটকে রেখেছে।