যুক্তরাষ্ট্রে গুলি ছোড়ার ঘটনায় ছয় জন নিহত ও কমপক্ষে একজন আহত হয়েছেন। ফিলাডেলফিয়ার কাছাকাছি তিনটি স্থানে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যের কর্মকর্তারা। এদিকে, সিডনির জিম্মি সঙ্কট তদন্তে কমিটি গঠন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার বিবিসি অনলাইনের এক খবরে জানানো হয়, মন্টেগোমারি কাউন্টি পুলিশ এক বন্দুকধারীকে খুঁজছে। পুলিশের দাবি, ওই বন্দুকধারী ব্রাডলি উইলিয়াম স্টোন (৩৫)।
স্টোনের সাবেক স্ত্রী নিকোল স্টোন, নিকোলের মা, নানি, বোন, বোনের স্বামী ও ১৪ বছরের মেয়েকে হত্যার জন্য ব্রাডলিকে সন্দেহ করছে পুলিশ।
পুলিশের ধারণা, ব্রাডলির কাছে অস্ত্র থাকতে পারে, যা বিপজ্জনক। এ জন্য স্থানীয় বাসিন্দাদের ঘরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী সিডনির 'লিন্ডট চকোলেট ক্যাফে'র জিম্মি সঙ্কটের ঘটনায় পুলিশের অভিযান নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।
মার্টিন প্লেসের কাছে নিহতদের স্মরণে সিডনির বাসিন্দাদের ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন- রয়টার্স
জিম্মি সঙ্কট শুরুর ১৬ ঘণ্টা পর মঙ্গলবার স্থানীয় সময় রাত পৌনে ৩ টার দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে এর সমাপ্তি ঘোষণা করে পুলিশ। এর আগে সিডনির মার্টিন প্লেসের ওই ক্যাফেতে পুলিশ অভিযান চালালে অস্ত্রধারী ওই ব্যক্তিসহ অন্তত ৩ জন নিহত হন।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের উদ্ধৃতি দিয়ে বিবিসি জানায়, নিহতরা হলেন- 'অস্ত্রধারী' মান হারুন মনিস, লিন্ডট ক্যাফের ব্যবস্থাপক টরি জনসন (৩৪), ক্যাটরিনা ডাউসন (৩৮) নামের এক আইনজীবী। এ ঘটনায় এক পুলিশসহ অন্তত চার ব্যক্তি আহত হয়েছেন।
পুলিশের অভিযান শুরুর পর ক্যাফের ভেতরে গুলির শব্দ শোনা গেছে বলেও স্থানীয় টেলিভিশনগুলো জানায়।
পুলিশ এ জিম্মি সঙ্কটের কারণ অনুসন্ধানে আলাদাভাবে তদন্ত করছে।
এর আগে ক্যাফেতে জিম্মি সঙ্কট তৈরিকারী ওই বন্দুকধারীর পরিচয় প্রকাশ করে। তারা জানায়- মান হারুন মনিস নামের ওই ইরানি শরণার্থী অস্ট্রেলিয়ায় রাজনৈতিক আশ্রয়ে রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকলেও তিনি জামিনে ছিলেন।