সিরিয়ায় গত তিন মাসে মার্কিন নেতৃত্বাধীন বিমান হামলায় ১১০০ বেশি জিহাদি নিহত হয়েছেন। নিহতদের প্রায় সকলে ইসলামিক স্টেটের (আইএস) জঙ্গি।
মানবাধিকার সংগঠন সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস জানায়, গত ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে আরব ও আন্তর্জাতিক বাহিনীর বিমান হামলায় কমপক্ষে ১১৭১ জন নিহত হয়েছেন। এরমধ্যে ১ হাজার ১১৯ জন আইএস ও আল নুসরা ফ্রন্টের সদস্য।
নিহতদের মধ্যে ১০৪৬ জন আইএসের সদস্য। আইএস জঙ্গিরা গত জুলাই মাসে সিরিয়া ও ইরাকের বিস্তীর্ণ এলাকা দখল করে ইসলামি খেলাফত ঘোষণা করে। জঙ্গিগোষ্ঠীটিকে থামাতে দেশ দুটির সরকার কার্যত ব্যর্থ হয়েছে। গণহত্যা, শিরছ্হেদ, ধর্ষণ, অপহরণের মতো সন্ত্রাসী তৎপরতা চালিয়ে বিশ্ববাসীকে হতবাক করে দিয়েছে আইএস। সংগঠনটির ৩০ হাজার যোদ্ধা রয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে।
মানবাধিকার সংগঠন জানায়, ইরাক ও সিরিয়ায় আইএস জঙ্গিদেরকেই বিমান হামলার মূল লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে। নিহতদের মধ্যে ৭২ জন সিরিয়ায় আল কায়েদার শাখা আল নুসরা ফ্রন্টের সদস্য বলে জানা গেছে। এছাড়া আরো একজন জিহাদি নিহত হয়েছেন। তবে সে কোন দলের সদস্য তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বাকি ৫২ জন হল বেসামরিক নাগরিক।
মানবাধিকার সংগঠন আরো জানায়, সিরিয়ায় মঙ্গলবার সরকারি বাহিনীর হামলায় ৩৭ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। এরমধ্যে আইএসের শক্ত ঘাঁটি রাকায় নয়টি শিশু রয়েছে।
সরকার বিরোধী শান্তিপূর্ণ গণতন্ত্রকামী বিপ্লব হিসেবে সিরিয়ায় যুদ্ধ শুরু হয়। তবে ভিন্নমতাবলম্বীদের ওপর সরকারি বাহিনীর অভিযান শুরু হলে তা গৃহযুদ্ধে রূপ নেয়।
২০১২ সালের জুলাই মাসে সরকারি বিমান বাহিনী প্রথম যুদ্ধে অংশ নেয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত কয়েক হাজার লোক নিহত হয়েছেন। নিহতদের বেশিরভাগই বেসামরিক নাগরিক। বাসস ।