তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রীর পদ হারানোর আট মাস পর দেশটির হাইকোর্ট দুর্নীতির অভিযোগ থেকে খালাস দিয়েছেন জয়ললিতাকে।
ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে জানা হয় সোমবার কর্নাটক হাইকোর্টে জয়ললিতার আপিলের এ রায়ের মধ্য দিয়ে তার পদ ফিরে পাওয়ারও আশা তৈরি হয়েছে।
এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, রায়ের পর তামিলনাড়ুতে উল্লাস করেন জয়ললিতার সমর্থকরা। বিভিন্ন স্থানে নেচে-গেয়ে, পতাকা উড়িয়ে ‘আম্মার’ জন্য তারা আনন্দ প্রকাশ করেন।
জয়ললিতার দল এআইএডিএমকের এমপিরাও পার্লামেন্ট প্রাঙ্গণে এসে উল্লাসে যোগ দেন।
জমিনে থাকা জয়ললিতা রায়ের সময় চেন্নাইয়ে নিজের বাড়িতেই ছিলেন। তার আইনজীবী বি কুমার এ রায়কে অভিহিত করেন ‘বিরাট বড় স্বস্তি’ হিসেবে।
আর ১৮ বছর আগে জয়ললিতার বিরুদ্ধে যিনি এই মামলা করেছিলেন, সেই বিজেপি নেতা সুব্রামানিয়াম স্বামী রায়ে হতাশা প্রকাশ করে বলেন, ‘আমি বিস্মিত, হতাবাক।’
১ কোটি ডলারের অবৈধ সম্পদ রাখায় দায়ে গত বছরের সেপ্টেম্বরে এ মামলায় জয়ললিতাকে চার বছরের কারাদণ্ড দেয় বিশেষ আদালত, সেই সঙ্গে করা হয় ১০০ কোটি রুপি জরিমানা।
আদালতের রায়ে সাজা হওয়ায় জেলে যেতে হয় তামিলনাড়ুর এ প্রভাবশালী রাজনীতিবিদকে, ছাড়তে হয় মুখ্যমন্ত্রীর পদ।
বিচারিক আদালতের ওই রায়ে বলা হয়, ১৯৯১- ৯৬ সালে প্রথম মেয়াদে তামিলনাডুর মুখ্যমন্ত্রী থাকার সময় ক্ষমতার অপব্যবহার করে সম্পদ গড়েন জয়ললিতা। তার সসিকালা নটরাজনসহ তিন সহযোগীকেও কারাদণ্ড দেয় আদালত।
একমাস জেলে থাকার পর ভারতের সর্বোচ্চ আদালত থেকে শর্তসাপেক্ষে জামিন পান এডিএমকেনেত্রী।