বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদ কী করে শিলং গেলেন—এতো দিনেও সে রহস্যের কোনো কূল-কিনারা হয়নি। তবে তিনি ভারতে রাজনৈতিক আশ্রয় চাইতে স্থানীয় একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদও করতে পারছেন না পুলিশ। হাসপাতাল থেকে তার চিকিৎসা সংক্রান্ত কাগজপত্র হাতে পেলেই পরবর্তী পদক্ষেপে নেয়া হবে বলে জানিয়েছে মেঘালয় পুলিশ। এদিকে, সালাহউদ্দিনের গ্রেপ্তার নিয়ে তার এক আত্মীয় ও মেঘালয় পুলিশের বক্তব্যে অসঙ্গতি পাওয়া যাচ্ছে।
গত সোমবার বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদকে অবৈধ অনুপ্রেবেশের অভিযোগে গ্রেপ্তার করে ভারতের মেঘালয় পুলিশ। তবে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বিএসএফের নজর এড়িয়ে তিনি কী করে মেঘালয়ের শিলং গেলেন সে রহস্যের জট এখনো খোলেনি। ধারণা করা হচ্ছে, সীমান্ত পাড়ি দিতে স্থানীয়দের সহায়তায় বাংলাদেশ থেকে শিলং যাওয়ার জন্য গুপ্ত পথকেই বেছে নিয়েছেন তিনি।
তবে এ মুহূর্তে পুলিশি হেফাজতে শিলংয়ের সিভিল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদও করতে পারছেন না পুলিশ। এছাড়া বিএনপির এ নেতার স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট এখনো তাদের হাতে এসে পৌঁছায় নি।তবে চিকিৎসকদের মতামতের পরই বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সালাহউদ্দিন আহমেদকে আদালতে হাজির করা হবে বলে জানায় স্থানীয় পুলিশ।
এর আগে বৃহস্পতিবার শিলং সিভিল হাসপাতালে সালাহউদ্দিনের সঙ্গে দেখা করেন কলকাতা থেকে আসা তার দুই আত্মীয়। দুই আত্মীয়ের একজন আইয়ুব আলী বিএনপির এ নেতাকে উদ্ধৃত করে জানান, সালাহউদ্দিন নিজেই পুলিশের কাছে নিজেকে সোপর্দ করেন।
তবে মেঘালয় পুলিশ এর আগে জানিয়েছিল, স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে খবর পেয়ে তারা সালাহউদ্দীনকে তাদের হেফাজতে নেয়।
বৃহস্পতিবার মেঘালয় পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। পুলিশের অসমর্থিত সূত্রে জানা যায়, সালাহউদ্দিন গোয়েন্দাদের জানিয়েছেন, তাকে কোনো একটা জায়গায় ঘুপচি ঘরে রাখা হয়েছিল প্রায় ২ মাস। এরপর বেশ কয়েকবার গাড়ি বদল করে তাকে শিলং নিয়ে যাওয়া হয়।