পাচারের শিকার হয়ে আন্দামান সাগরে ভাসমান অভিবাসন প্রত্যাশীদের উদ্ধার করবে মালয়েশীয় নৌবাহিনী, জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক।
সুমদ্রপথে মানবপাচার বন্ধে মিয়ানমারের রাজধানী নেইপিদো'তে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও মিয়ানমারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের মধ্যে আজই বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। পাচারের শিকার রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
গত তিন সপ্তাহে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডের সমুদ্র উপকূল থেকে ৩ হাজারের বেশি বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা অভিবাসন প্রত্যাশীকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে সাগরে মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে এখনো নৌযানে ভাসছে প্রায় ৭ হাজার অভিবাসন প্রত্যাশী।
শেষ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক চাপের মুখে বুধবার সাগরে ভাসমান, পাচারের শিকার প্রায় ৭ হাজার বাংলাদেশি ও মিয়ানমারের রোহিঙ্গাকে সাময়িক আশ্রয় দিতে রাজি হয় ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া।
আর একদিন পর আজ মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক জানান, পাচারের শিকার হয়ে আন্দামান সাগরে ভাসমান এসব অভিবাসন প্রত্যাশীকে উদ্ধার করবে মালয়েশীয় নৌবাহিনী।
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিজ টুইটার অ্যাকাউন্টে জানান, আশ্রয়কেন্দ্র এবং সাগরে নৌযানে ভাসমান এসব আশ্রয় প্রত্যাশীকে মানবিক সহায়তা দেবে তার দেশ।
এদিকে, সুমদ্রপথে মানবপাচার বন্ধে আলোচনার জন্য মালয়েশিয়া এবং ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা এখন মিয়ানমারে রয়েছেন। রাজধানী নেইপিদো'তে তিন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মধ্যে আজই বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
এরইমধ্যে পাচারের শিকার রোহিঙ্গা আশ্রয়প্রার্থীদের আশ্রয় দেয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তেরের মুখপাত্র ম্যারি হার্ফ এক বিবৃতিতে এ কথা জানান।
তবে পাচারের শিকার এসব অভিবাসন প্রত্যাশীকে কোন ধরনের আশ্রয় না দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া।