পাচারের শিকার হয়ে আন্দামান সাগরে ভাসমান প্রায় ৭ হাজার বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের উদ্ধারে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাকের নির্দেশে নৌবাহিনীর ৪টি জাহাজ পাঠিয়েছে মালয়েশিয়া। সাগরে ভাসমান হাজার হাজার অভিবাসন প্রত্যাশীদের উদ্ধারের প্রথম আনুষ্ঠানিক তৎপরতা এটি।
এদিকে, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার সঙ্গে বৈঠকে মানবপাচার রোধে জলসীমায় টহল জোরদার করার কথা জানিয়েছে মিয়ানমার। সেইসঙ্গে ২৯ মে ব্যাংককে থাই সরকারের ডাকা বৈঠকে যোগ দিতেও রাজি হয়েছে দেশটি।
সাগরে তল্লাশি চালিয়ে আশ্রয় প্রত্যাশীদের খুঁজে বের করা এবং উদ্ধারে সহযোগিতার ব্যাপারে এরইমধ্যে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার নৌবাহিনীর প্রধানের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।
সমুদ্রপথে মানবপাচার বন্ধে মিয়ানমারের রাজধানী নেইপিদো'তে বৃহস্পতিবার বৈঠক করেন ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও মিয়ানমারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা।
পরে এক বিবৃতিতে ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, মানবপাচার রোধে জলসীমায় টহল জোরদার করবে মিয়ানমার। সেইসঙ্গে সম্প্রতি ইন্দোনেশিয়ার আচেহ-তে উদ্ধার হওয়া মিয়ানমারের অভিবাসীদের বিষয়ে খোঁজ-খবর নিতে জাকার্তায় নিযুক্ত দেশটির দূতাবাসের কর্মকর্তাদের পাঠানো হবে।
সমুদ্রপথে মানবপাচার ঠেকাতে আগামী ২৯ মে ব্যাংককে থাই সরকারের ডাকা বৈঠকে যোগ দিতে রাজি হয়েছে মিয়ানমার। অভিবাসন সঙ্কটের দায় নিতে এর আগে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছিল দেশটির সরকার।
এদিকে, রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন বন্ধ করতে মিয়ানমারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। বৃহস্পতিবার এক প্রস্তাবে, মানবপাচারকারীদের চিহ্নিত করতে থাইল্যান্ড সরকারকে তদন্তের আহ্বানও জানান ইইউ নেতারা।