বিএনপি নেতা সালাহ উদ্দিনের চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে মেডিকেল বোর্ড গঠন করেছে নেগ্রিমস হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ভারতের মেঘালয় রাজ্যের শিলঙে অবস্থিত এ হাসপাতালের আইসিইউতে তার কিডনি ও হার্টের চিকিৎসা এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। চিকিৎসকদের ভাষ্য সালাহ উদ্দিনের চিকিৎসা প্রক্রিয়ায় বেশ সময় লাগবে এবং খুব শিগগিরই হাসপাতাল থেকে ছাড়া পচ্ছেন না তিনি।
এদিকে, পুলিশ বলছে সালাহ উদ্দিন পুরোপুরি সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত তাকে আদালতে নেয়া হবে না। এ কারণে অনির্দিষ্টকালের জন্য ঝুলে গেল আইনি প্রক্রিয়ার বিষয়টিও।
দুই মাস নিখোঁজ থাকার পর ভারতের মেঘালয় রাজ্যের শিলঙে সন্ধান মেলে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সালাহ উদ্দিন আহমেদের। সেখানে পুলিশের হাতে আটক হন তিনি। ভারতের ফরেনার্স অ্যাক্টের আওতায় তার বিরুদ্ধে মামলাও করেছে পুলিশ।
শিলঙের নেগ্রিমস হাসপাতালের আইসিইউতে রেখে চিকিৎসা চলছে সালাহ উদ্দিনের। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে মেডিকেল বোর্ড গঠন করে সেখানে তার চিকিৎসা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হচ্ছে।
হাসপাতালের পরিচালক ডা. এ জি আহনগরের বরাত দিয়ে টেলিফোনে দেশ টিভিকে এখবর নিশ্চিত করেছেন, টাইমস অব ইন্ডিয়ার সাংবাদিক মানস দাস।
সালাহ উদ্দিনের চিকিৎসা প্রক্রিয়ার কারণে তাকে আদালতেও তোলা যাচ্ছে না। টেলিফোনে যোগাযোগ করা হলে শিলং ইস্ট খাসি হিলস থানার পুলিশ সুপার এম খারক্রাং জানান, সালাহ উদ্দিন পুরোপুরি সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত আইনি প্রক্রিয়া শুরু করতে পারছেন না তারা।
এদিকে, নেগ্রিমস হাসপাতালে কড়া নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে রাখা হয়েছে সালাহ উদ্দিন আহমেদকে। সেখানে শুধুমাত্র তার স্ত্রী হাসিনা আহমেদ ছাড়া আর কারোরই দেখা করার অনুমতি মিলছে না। শিলং থেকে একথা জানিয়েছেন বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক আব্দুল লতিফ জনি।