এবার থাইল্যান্ডের সঙ্গে মালয়েশিয়ার সীমান্তবর্তী পেরলিস রাজ্যের দুইটি জায়গায় ৩০টি বড় গণকবরের খোঁজ পেয়েছে মালয়েশীয় পুলিশ।
ধারনা করা হচ্ছে, এসব গণকবর শতশত বাংলাদেশি ও মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের। আরেক সীমান্তবর্তী শহর পাদাং বেসারে সন্ধান পাওয়া আরো একটি গণকবরে প্রায় ১০০ রোহিঙ্গার মৃতদেহ পাওয়া যেতে পারে বলে ধারনা করা হচ্ছে।
মারয়েশিয়ার দ্য স্টার পত্রিকা জানিয়েছে, দেশটির সীমান্তবর্তী শহর পাদাং বেসারে সন্ধান পাওয়া আরো একটি গণকবরে প্রায় ১০০ রোহিঙ্গার মৃতদেহ পাওয়া যেতে পারে।
জানা গেছে, মালয়েশীয় পুলিশের মহাপরিদর্শক সোমবার এ ব্যাপারে সংবাদ সম্মেলন করবেন।
এদিকে, দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় সমুদ্রপথে পাচারের শিকার হয়ে নৌযানে ভাসমান অভিবাসন প্রত্যাশীদের উদ্ধারে অভিযান শুরু করেছে ইন্দোনেশিয়ার সামরিক বাহিনী।
এরইমধ্যে জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি-মুন, এসব আশ্রয়প্রার্থীদের জীবন বাঁচাতে পদক্ষেপ নিতে এ অঞ্চলের দেশগুলোকে আহ্বান জানিয়েছেন।
আন্দামান সাগর ও মালাক্কা প্রণালীতে গত দুই সপ্তাহে অনেকগুলো নৌযানে ভাসতে দেখা গেছে কমপক্ষে সাড়ে তিন হাজারের বেশি অভিবাসন প্রত্যাশীকে।
তাদের বেশিরভাগই বাংলাদেশি ও মিয়ানরের রোহিঙ্গা।
তাদের অনুসন্ধান ও উদ্ধারের জন্য অভিযান চালাচ্ছে ইন্দোনেশিয়ার সামরিক বাহিনী। দেশটির প্রেসিডেন্টের এক আদেশের পরেই এই অভিযান শুরু হয়েছে এবং তা ইন্দোনেশিয়ার সমুদ্রসীমা ও তার বাইরেও চলবে।
বিবিসি সূত্রে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত কোনো অভিবাসন প্রত্যাশীদের বহনকারী নৌযান ইন্দোনেশিয়া কর্তৃপক্ষ সাগরে পায়নি। নিজেদের জলসীমায় তাদের উদ্ধারে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে মালয়েশিয়াও।
এর আগে জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি-মুন শনিবার ভিয়েতনাম সফর শেষে সাংবাদিকদের জানান, এখন সাগরে ভাসমান এ মানুষগুলোকে উদ্ধারেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া উচিত।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, মিয়ানমারের জলসীমায় দেশটির নৌবাহিনীর উদ্ধার করা ২০৮ জনের মধ্যে অন্তত ৮ জন মিয়ানমারের রোহিঙ্গা।
এর আগে মিয়ানমার সরকার দাবি করছিল, উদ্ধার হওয়াদের সবাই বাংলাদেশের নাগরিক।