থাইল্যান্ডের সঙ্গে মালয়েশিয়ার সীমান্তে ছোট-বড় বিভিন্ন আকারের ১৩৯টি গণকবরের সন্ধান মিলেছে বলে জানিয়েছে মালয়েশীয় পুলিশ। আজ এক সংবাদ সম্মেলনে দেশটির পুলিশ প্রধান খালিদ আবু বকর জানিয়েছেন, গত দু'সপ্তাহের বিশেষ অভিযানে এসব গণকবর খুঁজে পেয়েছেন তারা।
এছাড়া সেখানে কমপক্ষে মানবপাচারকারীদের ২৮টি ডিটেনশন ক্যাম্প রয়েছে বলেও জানিয়েছেন দেশটির পুলিশ প্রধান।
থাইল্যান্ডের পর প্রথমবারের মতো রোববার মালয়েশিয়ায় গণকবরের সন্ধান পাওয়ার খবর দেয় দেশটির সরকার। এর এর একদিন পর সোমবার দেশটির পুলিশ প্রধান খালিদ আবু বকর জানালেন গত ১১মে থেকে শুরু হওয়া বিশেষ অভিযানে থাইল্যান্ডের সঙ্গে মালয়েশিয়ার সীমান্তবর্তী এলাকায় অন্তত ১৩৯টি গণকবরের সন্ধান পেয়েছেন তারা।
ছোট-বড় বিভিন্ন আকারের এসব গণকবরে কতগুলো মৃতদেহ থাকতে পারে সে ব্যাপারে নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি দেশটির পুলিশ প্রধান। তবে, রোববার একটি গণকবর থেকে কমপক্ষে ১০০ জনের দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়েছে। থাইল্যান্ডের মতো এসব গণকবরেও মিয়ানমারের রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশিদের দেহাবশেষ রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ প্রধান খালিদ আরো জানিয়েছেন ওই এলাকায় পাচারকারীদের কমপক্ষে ২৮টি ডিটেনশন ক্যাম্প রয়েছে। এসব ক্যাম্পের সবচেয়ে বড়টিতে ৩’শোর বেশি মানুষের থাকার ব্যবস্থা রয়েছে।
এদিকে,মালয়েশিয়ার মাটিতে গণকবরের সন্ধান পাওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক। নিজের ফেইসবুক ও টুইটার অ্যাকাউন্টে দেয়া পোস্টে রাজাক জানিয়েছেন দোষীদের খুঁজে বের করার ব্যাপারে তিনি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
এর আগে চলতি মাসের শুরুতে থাইল্যান্ডের সীমান্তবর্তী শংখলা প্রদেশের জঙ্গলে গণকবরের সন্ধান পায় সেখানকার কর্তৃপক্ষ।