ইন্দোনেশিয়ায় সাময়িক আশ্রয় পাওয়া বাংলাদেশি নাগরিকদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তৈরি হলে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ফেরত পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। জাকার্তায় এক অভিবাসন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এ খবর জানায় সিঙ্গাপুর ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্যা স্ট্রেইটস টাইমস।
তবে, তৃতীয় কোন দেশে আশ্রয় না পাওয়া পর্যন্ত মিয়ানমারের রোহিঙ্গা অভিবাসীদের ইন্দোনেশিয়া থাকার অনুমতি দিয়েছে ইন্দোনেশীয় সরকার।
উন্নত জীবনের খোঁজে মাসের পর মাস ধরে সাগরপথ পাড়ি দিয়েছেন ভাগ্যান্বেষী এসব মানুষ। গন্তব্য মালয়েশিয়া। কিন্তু প্রকৃতই এদের ভাগ্যে কি ঘটছে সে সম্পকে খুব কমই জানা যায়। সম্প্রতি মাত্র তিন হাজার মানুষের ঠাঁই হয় মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার আশ্রয় শিবিরে। এরা প্রায় সবাই বাংলাদেশি ও মিয়ানমারের রোহিঙ্গা বলেই ধারনা।
শেষ পর্যন্ত আশ্রয় পাওয়া নাগরিকদের ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ নিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সরকার। জানা গেছে ইন্দোনেশিয়ায় আশ্রয় পাওয়া বাংলাদেশি নাগরিকদের খুব শিগগিরই দেশে ফেরত পাঠাবে। কাগজপত্র তৈরি হলে এক্ষেত্রে দুই থেকে তিন সপ্তাহ লাগতে পারে।
জাকার্তায় এক অভিবাসন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে সিঙ্গাপুরভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্যা স্ট্রেইটস টাইমস জানিয়েছে, নিজ দেশের নাগরিকদের ফেরত নেওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার আগ্রহী। ইন্দোনেশিয়াও এক্ষেত্রে বাংলাদেশকে সার্বিক সহযোগিতা করবে।
বর্তমানে আচেহ প্রদেশের আশ্রয় শিবিরে ৮০০ ও উত্তর সুমাত্রায় ৫৬ জন বাংলাদেশি রয়েছে। তৃতীয় কোন দেশে আশ্রয় না পাওয়া পর্যন্ত মিয়ানমারের মুসলিম রোহিঙ্গা অভিবাসীদের ইন্দোনেশিয়া থাকার অনুমতি দিয়েছে ইন্দোনেশীয় সরকার।
এদিকে, মাত্র একদিন আগে সোমবার মালয়েশিয়া জানায়, সেদেশে সীমান্তবর্তী জঙ্গলে কমপক্ষে ১৩৯টি গণকবর ও মানব পাচারকারীদের ২৮টি বন্দিশিবিরের খোঁজ পাওয়া গেছে। এসব কবরে শত শত রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশি নাগরিকদের দেহাবশেষ রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।