বঙ্গোপসাগরের মায়ানমার উপকূল থেকে ৭২৭ অভিবাসী উদ্ধার করেছে দেশটির নৌবাহিনী। এদের ‘বাঙালি’ বলে দাবি করছে স্থানীয় সরকার। শুক্রবার দেশটির তথ্য মন্ত্রণালয় ও নৌবাহিনী সূত্রের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এ খবর জানিয়েছে।
জাতীয়তা না জানানো হলেও উদ্ধার অভিবাসীদের ‘বাঙালি’ বলে দাবি করছে মায়ানমারের তথ্য মন্ত্রণালয়। সাধারণত দেশটির অধিকার বঞ্চিত সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশিদের ‘বাঙালি’ বলে থাকে মায়ানমার সরকার।
এদিকে, মানবপাচার ও অভিবাসন সঙ্কট নিরসনে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে বাংলাদেশ, মিয়ানমার, মালয়েশিয়াসহ বিশ্বের ১৭টি দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা মানবপাচার বন্ধে কার্যকর উপায় উদ্ভাবনে বিশেষ বৈঠক শুরু হয়েছে। অংশ নিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও সুইজারল্যান্ডের পর্যবেক্ষসহ জাতিসংঘের প্রতিনিধিরাও।
তবে সমাধানের পথে না গিয়ে সব দেশই পরস্পরের দিকে অভিযোগ আনছেন। রোহিঙ্গাদের স্বীকৃতি দিতে জাতিসংঘের আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছে মিয়ানমার।
উদ্বোধনী বক্তব্যে থাই পররাষ্ট্রমন্ত্রী তানাসাক প্রতিমাপ্রাগরন কার্যকরী পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়ে বলেন, নৌযানে অভিবাসীদের এ স্রোত এখন আশংকাজনক অবস্থায় রয়েছে।
তবে তাৎক্ষণিকভাবে তা প্রত্যাখ্যান করেন মিয়ানমারের প্রতিনিধিরা বলেন, মিয়ানমার মানবপাচার রোধে সহাযোগিতা করতে চায়। নৌযানে অবৈধ অভিবাসী ইস্যুতে শুধুমাত্র তার দেশের দিকে আঙ্গুল তোলা উচিত নয়। এতে শেষ পর্যন্ত কোন ফলাফলই পাওয়া যাবে না।
এদিকে, মানবপাচার ও চোরাচালান বন্ধে শিগগিরই মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের সমঝোতা স্মারকের উদ্যোগের কথা জানান বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সচিব শহীদুল হক।