গণভোটে বিজয়ের পর ইউরো জোনের সঙ্গে গ্রিস সরকারের আলোচনায় গতি আনার লক্ষ্যে পদত্যাগ করেছেন দেশটির অর্থমন্ত্রী ইয়ানিস ভারুফাসিস।
সোমবার এক বিবৃতিতে অর্থমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা জানান তিনি।
বিবৃতিতে তিনি ইউরো গোষ্ঠীর কিছু অংশগ্রহণকারীকে এবং অন্যান্য সহযোগীদের নিশ্চিত করছি, তাদের বৈঠকে আমি উপস্থিত থাকছি না। ইউরো জোনের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর ক্ষেত্র প্রস্তুতে এটি সহায়ক হবে বলে মনে করছেন প্রধানমন্ত্রী (অ্যালেক্সিস সিপ্রাস)।
স্ব-ঘোষিত ‘ব্যতিক্রমী মার্কসিস্ট’ অর্থনীতিবিদ ভারুফাসিস তার অপ্রচলিত ধরনের কঠোর বক্তব্য-বিবৃতির মাধ্যমে ইউরো জোনের অংশীদারদের বিরাগভাজন হয়েছেন। গণভোটে ‘না’ ভোটের পক্ষে ব্যাপক প্রচারণা চালানো ভারুফাসিস গ্রিসের ঋণদাতাদের ‘সন্ত্রাসী’ বলে অভিহিত করেছিলেন।
ঋণ দাতাদের শর্ত প্রত্যাখ্যানের সিদ্ধান্তে গণভোটে ব্যাপক সমর্থন পাওয়ার পর কয়েকদিনের মধ্যেই ইউরো জোনের সঙ্গে ভালো একটি চুক্তি করতে পারবেন বলে গ্রিকদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তার হঠাৎ পদত্যাগের ঘোষণা এসেছে।
ইউরোপীয় নেতাদের সঙ্গে শেষ মুহূর্তে একটি সমঝোতায় আসার চেষ্টায় বামপন্থী প্রধানমন্ত্রী সিপ্রাস দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হয়ে আছেন।
গ্রিস সরকারের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পরবর্তী অর্থমন্ত্রী হওয়ার দৌঁড়ে আন্তর্জাতিক দাতাদের সঙ্গে গ্রিসের ঋণ আলোচনায় নেতৃত্ব দেয়া ইউক্লিড সাকালোতস এগিয়ে আছেন।
গত এপ্রিলে দাতাদের সঙ্গে আলোচনা থেকে ভারুফাসিস সরে দাঁড়ালে নম্র স্বভাবের অর্থনীতিবিদ ও অধ্যাপক সাকালোতস ঋণদাতাদের সঙ্গে আলোচনায় প্রধান ভূমিকা পালন করেন।
সকাল ১০টা থেকে শুরু হওয়া রাজনৈতিক নেতাদের একটি বৈঠকের পর গ্রিসের পরবর্তী অর্থমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করা হবে।