লিবিয়া উপকূলের কাছে প্রায় ৫০০ অভিবাসন প্রত্যাশীকে নিয়ে দুটি নৌযান ডুবিতে নিহতদের মধ্যে রয়েছে ৫ বাংলাদেশি রয়েছে। নৌযান দুটিতে ৩১ জন বাংলাদেশি ছিলো। এখনো নিখোঁজ রয়েছে দুটি পরিবারের ৪ জন।
তিউনিসিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশের লিবিয়া দূতাবাসের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এখবর জানিয়েছে বিবিসি বাংলা। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ওই দুটি নৌযান ডুবে গেলে অন্তত ২০০ অভিবাসন প্রত্যাশীর প্রাণহানি ঘটে বলে জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে ২০০ আশ্রয়প্রার্থীকে। তবে এখনো নিখোঁজ রয়েছে প্রায় একশো জন।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এ বছর সবচেয়ে বেশি শরণার্থী ও অভিবাসীদের চাপে পড়েছে ইউরোপ। যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়া, ইরাক, আফগানিস্তানসহ বিভিন্ন দেশ থেকে মানবিক সংকটে পড়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাগরপাড়ি দিয়ে ইউরোপের সমৃদ্ধ দেশগুলোতে আশ্রয় লাভের চেষ্টা করেছেন হাজার হাজার মানুষ। জাতিসংঘের তথ্য মতে, চলতি বছরের প্রথম ৮ মাসেই সাগরে ডুবে মারা গেছেন কমপক্ষে ২ হাজার ৪০০ জন।
সেই ধারাবাহিকতায় স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার লিবিয়া উপকূলে আবারো নৌযান ডুবির ঘটনা ঘটে। প্রায় ৫০০ অভিবাসন প্রত্যাশীকে নিয়ে ইতালি হয়ে ইউরোপ পাড়ি জমানোর চেষ্টা করে এ দুটি নৌযান। তবে নৌযানের তলদেশে ফুটো থাকায় দেশটির জুওয়ারা বন্দরের কাছে সেগুলো ডুবে যায়। নৌযান দুটির আরোহীর মধ্যে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, সিরিয়া, মরক্কো ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের নাগরিক রয়েছেন।
নৌযান দুটির প্রথমটিতে প্রায় ১০০ জন এবং দ্বিতীয়টিতে ছিলেন প্রায় ৪০০ আশ্রয়প্রার্থী। এদের মধ্যে অন্তত ২০০ অভিবাসন প্রত্যাশী মারা গেছে বলে জানিয়ছে জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থা-ইউএনএইচসিআর। মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে ২০০ আশ্রয়প্রার্থীকে। তবে এখনো নিখোঁজ রয়েছে প্রায় একশো জন।
তিউনিসিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশের লিবিয়া দূতাবাসের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বিবিসি বাংলা জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে ৫ বাংলাদেশি রয়েছে। ডুবে যাওয়া নৌকা দুটিতে ৩১ জন বাংলাদেশি ছিলো। এখনো নিখোঁজ রয়েছে দুটি পরিবারের ৪ জন। এরিমধ্যে অন্যান্যদের সঙ্গে উদ্ধার হওয়া বাংলাদেশিদের লিবিয়ায় ফিরিয়ে নেয়া হয়েছে। এখন পরিবারগুলোর ইচ্ছে অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এর আগে বৃহস্পতিবার অস্ট্রিয়ার বুর্গেনলান্ডে হাইওয়ের পাশে রাখা একটি লরিতে ৭১ জন অভিবাসীর মৃতদেহ পাওয়া গেছে। পুলিশের ধারণা, নিহত শরণার্থীরা সিরিয়া থেকে আগত। এদিকে, এ ঘটনায়, শুক্রবার তিন বুলগেরিয়ান নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।