জার্মানি বছরে কমপক্ষে ৫ লাখ শরণার্থীকে আশ্রয় দিতে পারবে এবং আগামী কয়েক বছর তা চালিয়ে যেতে সক্ষম বলে জানালেন দেশটির ভাইস চ্যান্সেলর সিগমার গ্যাব্রিয়াল।
তবে এসব শরণার্থীদের সহায়তায় ইউরোপের অন্যান্য দেশেরও অংশীদার হওয়া উচিত বলে পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
ধারণা করা হচ্ছে, চলতি বছর জার্মানিতে শরণার্থীদের সংখ্যা ৮ লাখ ছাড়িয়ে যাবে-যা গেলো বছরের চার গুণ।
গ্রিসের লেবোস দ্বীপে ২৫ হাজার শরণার্থীদের সহায়তায় একযোগে কাজ করছে দেশটির সরকার ও জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা। এরিমধ্যে দ্বীপের পরিত্যক্ত মাঠে শরণার্থীদের জন্য একটি কেন্দ্রও খোলা হয়েছে।
এর আগে, শরণার্থীদের দায়িত্ব বাধ্যতামূলকভাবে ভাগাভাগি করে নিতে ইইউভুক্ত দেশগুলোকে দেওয়া কোটা রাখার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে হাঙ্গেরি, চেক রিপাবলিক, স্লোভাকিয়া ও রোমানিয়া।
এরইমধ্যে, সোমবার গ্রিসের লেবোস দ্বীপে আসা ২৫ হাজার শরণার্থীর নিবন্ধন ও তাদের সহায়তায় একযোগে কাজ করছে দেশটির সরকার ও জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা।
এদিকে, গ্রিসের লেবোস দ্বীপে আরো ১৫ হাজারের বেশি শরণার্থী প্রবেশ করেছে। তাদের থাকার ব্যবস্থা করতে কর্তৃপক্ষকে সাহায্য করছে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা।
এছাড়া, হাঙ্গেরির সার্বিয়া সীমান্তে থাকা শত শত শরণার্থী পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে পায়ে হেটেই রাজধানী বুদাপেস্ট অভিমুখে রওয়ানা হয়েছে।