সৌদি আরবের উদ্যোগে ৩৪টি দেশের সন্ত্রাসবিরোধী জোটে নিজেদের নাম দেখতে পেয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রসচিব আইজাজ চৌধুরী।
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে দেশটির পররাষ্ট্রসচিব আইজাজ চৌধুরী বলেন, জোটের সদস্য হিসেবে পাকিস্তানের নাম থাকার খবরটি পড়ে তিনি বিস্মিত। বুধবার ডনের এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সচিব বলেন, রিয়াদে নিযুক্ত পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূতকে সৌদি সরকারের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি স্পষ্ট করতে বলা হয়েছে।
দেশটির আরেকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাও জানিয়েছেন, জোটে অন্তর্ভুক্ত করার আগে এ বিষয়ে পাকিস্তানের পরামর্শ নেয়া হয়নি।
ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়, সৌদি আরব এমনটা এই প্রথমই করেনি— এর আগেও সৌদি আরব ইয়েমেনে অভিযান পরিচালনাকারী জোটের সদস্য হিসেবে পাকিস্তানের নাম ঘোষণা করেছিল। এমনকি জোটের মিডিয়া সেন্টারেও পাকিস্তানের পতাকা প্রদর্শন করেছিল। তবে পরে পাকিস্তান ইয়েমেনে যুদ্ধে যোগ দেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে।
গত মাসে আইএসের বিরুদ্ধে মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটে পাকিস্তানের যোগ দেয়ার সম্ভাবনা আছে কি না, এমন প্রশ্ন করা হয়েছিল সেনাবাহিনীর মুখপাত্রের কাছে।
এর জবাবে মুখপাত্র লে. জেনারেল অসিম বাজউয়া বলেন, ‘দেশের বাইরে অন্য কোথাও নিজেদের জড়ানোর কোনো ইচ্ছে আমাদের নেই।’
গতকাল মঙ্গলবার জঙ্গিগোষ্ঠী আইএসের বিরুদ্ধে লড়াই জোরদার করতে এ জোটের ঘোষণা দেয় সৌদি আরব।
জোটভুক্ত দেশগুলো হলো: সৌদি আরব, বাহরাইন, বাংলাদেশ, বেনিন, চাদ, কোমোরোস, আইভরি কোস্ট, জিবুতি, মিসর, গ্যাবন, গিনি, জর্ডান, কুয়েত, লেবানন, লিবিয়া, মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ, মালি, মরক্কো, মৌরিতানিয়া, নাইজার, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান, ফিলিস্তিন, কাতার, সেনেগাল, সিয়েরা লিওন, সোমালিয়া, সুদান, টোগো, তিউনিসিয়া, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইয়েমেন। ইন্দোনেশিয়াসহ আরও ১০টি মুসলিম দেশ এই জোটকে সমর্থন করেছে।