সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলের হাসপাতাল ও বিদ্যালয়ে বিমান হামলার ঘটনায় শিশুসহ কমপক্ষে ৫০ জন মারা গেছেন। সোমবার আজাজ শহরের কেন্দ্রস্থলের হাসপাতাল এবং এর কাছেই অবস্থিত স্কুলে কমপক্ষে পাঁচটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। সেখানে ১৪ জন নিহত হন।
এদিকে, এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে জাতিসংঘ। সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলের হামলার শিকার হওয়া স্কুল ও হাসপাতালগুলোর মধ্যে চিকিৎসা বিষয়ক দাতব্য সংস্থা মেদসাঁ সঁ ফ্রঁতিয়ে বা এমএসএফ-এর একটি হাসপাতাল রয়েছে। হামলায় ওই হাসপাতালে কমপক্ষে ৭ জন নিহত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
জাতিসংঘের প্রেসিডেন্ট বান কি-মুন বলেছেন, এটি স্পষ্টতই আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন।
এমএসএফ বলেছে, ইদলিব প্রদেশে তাদের হাসপাতালটিকে ইচ্ছেকৃতভাবে লক্ষ্য করা হয়েছে। ইদলিবের ওই হাসপাতালের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, ইসাবেলে ডেফরর্নি বলেছেন হাসপাতালটিকে কমপক্ষে ৩-৪ বার বোমা হামলা করা হয়েছে এবং হাসপাতালটি ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে।
এই হামলায় নিহত হয়েছে ৭ জন। যাদের মধ্যে ৫ জন রোগী, একজন কেয়ারটেকার আর অন্যজন নিরাপত্তারক্ষী। এছাড়া হাসাপাতালের আরো ৮ জন কর্মকর্তা এখনো নিখোঁজ রয়েছে এবং আশঙ্কা করা হচ্ছে যে, তারাও হয়তো নিহত হয়েছেন।
এছাড়া, এই ধরনের কাজকে যুদ্ধাপরাধের সামিল বলে মন্তব্য করেছে ফ্রান্স।