যুক্তরাষ্ট্রের সাময়িকী ফরচুনের করা ‘ওয়ার্ল্ডস গ্রেটেস্ট লিডারস’ এর তালিকায় ১০ স্থানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার সাময়িকীটির ওয়েবসাইটে এই তালিকা প্রকাশ করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্পর্কে ফরচুনের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসলামী সংস্থার অন্তভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে একমাত্র নারী নেত্রী হিসেবে তিনি ইসলামী ঐতিহ্যের চাহিদা ও নারীদের অধিকার রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছেন। জনসংখ্যা বিবেচনায় চতুর্থ ইসলামী রাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ হাসিনা বাংলাদেশের নারীর নিরাপত্তা, শিক্ষা, অর্থনৈতিক মুক্তি ও রাজনীতিক ক্ষমতায়নের ব্যাপারে অঙ্গীকারবদ্ধ।
ফরচুন বলছে, বাংলাদেশের প্রাপ্ত বয়স্ক নারীদের ৩০% মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেছেন। দেশটি ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরাম জেন্ডার গ্যাপ ইনডেক্স’ তালিকায় এশিয়ার অন্যান্য দেশের চেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে।
সাময়িকীটির ওয়েবসাইটে তালিকায় স্থানপ্রাপ্তদের নাম প্রকাশ করে বলা হয়- তারা ব্যবসা, সরকার ব্যবস্থা, বিশ্বপ্রীতি ও শিল্পকলায় অবদান রাখছেন। সারাবিশ্বে এ মানুষগুলো পরিবর্তন আনছেন। একই সঙ্গে অন্যদেরও তা করতে অনুপ্রেরণা দিয়ে চলেছেন।
ফরচুনের তালিকায় বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ৫০ নেতার তালিকায় শীর্ষ স্থান দখল করেছেন মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যামাজনের সিইও জেফ বিজোস। জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যঞ্জেলা মার্কেল রয়েছেন দ্বিতীয় অবস্থানে। এরপর তিন নম্বরে রয়েছেন মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী অং সান সু চি।
এরপর পর্যায়ক্রমে রয়েছেন- পোপ ফ্রান্সিস, অ্যাপেলের সিইও টিম কুক, দ্য শো মি ক্যম্পেইটের শিল্পী জন লিজেন্ড, জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক কনভেনশনের এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি ক্রিস্চিয়ানা ফিগুয়ের্স, যুক্তরাষ্ট্রের হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের স্পিকার পল রায়েন, যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের রুথ বাদের জিন্সবার্গ প্রমুখ।