বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের অর্থ চুরির ঘটনায় সন্দেহভাজন মূল হোতা ব্যবসায়ী কিম ওয়ং কিছু অর্থ ফেরত দেয়ার কথা বলেছেন। অর্থ চুরির ঘটনায় মঙ্গলবার ফিলিপাইনের সিনেট শুনানিতে হাজির হয়ে তিনি এ কথা বলেন।
শুনানিতে সন্দেহভাজন মূল হোতা ওয়ং দাবি করেন, সোলেয়া ক্যাসিনো রিসোর্টস হোটেলের হিসাবে ৪৬ লাখ ৩০ হাজার ডলার আছে। তিনি বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের কাছে ওই অর্থ ফেরত দিতে চান।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এখানে উপস্থিত আছেন। তিনি একটি মাধ্যম হতে পারেন। তার মাধ্যমে এ অর্থ দিতে পারি।
আর স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে ফিলিপাইনের সিনেটের ব্লু রিবন কমিটির সামনে আজ (মঙ্গলবার) হাজির হন ব্যবসায়ী কিম ওয়ং ও রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং করপোরেশনের (আরসিবিসি) জুপিটার শাখার বরখাস্ত হওয়া জ্যেষ্ঠ কাস্টমার রিলেশনস অফিসার অ্যাঞ্জেলা তোরেস।
এর আগে স্থানীয় সময় সকালে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে ৮১ মিলিয়ন ডলার চুরি নিয়ে ফিলিপাইনের সিনেট কমিটির তৃতীয় দিনের শুনানি শুরু হয়।
এ সময় চুরির ঘটনায় দুই চীনা নাগরিক জড়িত বলে জানিয়েছেন এ ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যবসায়ী ও ক্যাসিনো জাঙ্কেট অপারেটর কিম ওয়ং। তবে তাৎক্ষনিকভাবে তাদের নাম প্রকাশ করেননি তিনি।
একইসঙ্গে ওই অর্থ চুরির সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করেছেন ওয়ং।
এ সময় তিনি আরো বলেন, আরসিবিসির সাবেক শাখা ম্যানেজার মাইয়া সান্তোস দিগুইতো ওই ব্যাংকে ৪টি ভূয়া অ্যাকাউন্ট খোলেন এবং একাই ওই অর্থ আরসিবিসি থেকে ছাড় করান। ওই অর্থের মধ্যে ৬৩ মিলিয়ন ডলার যায় সোলেইয়া এবং মিডাস ক্যাসিনোতে আর ১৭ মিলিয়ন গেছে ফিলরেমে।