বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের ৮১ মিলিয়ন ডলার অর্থ চুরির ঘটনার সঙ্গে একটি সিন্ডিকেট জড়িত বলে মনে করছেন ফিলিপাইনের সিনেট কমিটির প্রধান তেয়োফিস্তো গুইংগোনা। শনিবার দেশটির একটি রেডিওকে এ তথ্য জানান তিনি।
গুইংগোনা বলেন, শক্তিশালী কোনো সিন্ডিকেট ছাড়া মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের অর্থ ফিলিপাইনে চুরি করে আনা সম্ভব ছিল না।
তিনি বলেন, এ ঘটনায় চীনা নাগরিক ব্যবসায়ী শুহুয়া কাও ও তিং জিজেকে খুঁজে বের করতে পারলেই ওই অর্থ চুরির পেছনে মূলহোতা কে তা জানা যাবে।
এর আগে সিনেট শুনানিতে ক্যাসিনো ব্যবসায়ী কিম অং রিজার্ভের অর্থ চুরির সঙ্গে ওই দুজনের সংশ্লিষ্টতার কথা জানায়।
এদিকে, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করতে যাচ্ছে দেশটির মুদ্রাপাচার প্রতিরোধ কর্তৃপক্ষ-এএমএলসি। দেশটির সংবাদ মাধ্যম ফিলস্টারের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
এতে বলা হয়, সংস্থাটি ওই ৭ জনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন তথ্যপ্রমাণ জোগাড় করা হয়েছে। তাদের কেউ কেউ অর্থ চুরির ঘটনায় তদন্তকারী সিনেট কমিটির শুনানিতে এখন পর্যন্ত হাজির হওয়াদের মধ্যে থাকতে পারেন।
ম্যানিলায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জন গোমেজ বলেন, ফিলিপাইনের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সহযোগিতায় বাংলাদেশের সিআইডি প্রতিনিধিরা বিষয়টি আরো খতিয়ে দেখবেন।
আগামী ৫ এপ্রিলের শুনানিতে উপস্থিত থাকতে দুই জাংকেট অপারেটরের নামে সমন জারি করেছে সিনেট।