বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের চুরি হওয়া অর্থের আরো ৩৮ মিলিয়ন পেসো ফেরত দিয়েছেন সন্দহভাজন ক্যাসিনো ব্যবসায়ি কিম অং। এর আগে তিনি ৪৬ লাখ ৩০ হাজার ডলার ফেরত দেয় তিনি।
এদিকে, এই অর্থ চুরির ঘটনায় জড়িত দুই নাগরিক ফিলিপাইন থেকে চীনে চলে গেছেন বলে জানিয়েছেন ফিলিপাইন সিনেট কমিটির সদস্য সেরগে ওসমেনা। আগামী ৫ এপ্রিলের শুনানিতে উপস্থিত থাকতে দুই ক্যাসিনো অপারেটরের নামে সমন জারি করেছে সিনেট।
বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের ৮১ মিলিয়ন ডলার অর্থ চুরির ঘটনার পেছনে একটি সিন্ডিকেট জড়িত। আর এই সিন্ডিকেটের সঙ্গে দুই চীনা ব্যবসায়ী শুহুয়া কাও ও দিং জিজ জড়িত বলে মনে করেনূ ফিলিপাইনের সিনেট কমিটির চেয়ারম্যান তেয়োফিস্তো গুইংগোনা।
এই দুই চীনা নাগরিককে খুঁজে বের করতে পারলেই ওই অর্থ চুরির মূলহোতাকে তা জানা যাবে বলে মনে করেন তিনি। এর আগে সিনেট শুনানিতে ক্যাসিনো ব্যবসায়ী কিম অং রিজার্ভের অর্থ চুরির সঙ্গে ওই দুজনের সংশ্লিষ্টতার কথা জানান।
তবে, এই দুই চীনা ব্যবসায়ি চীনে চলে গেছেন বলে সিনেট কমিটির সদস্য সেরগে ওসমেনা জানিয়েছেন। তাদেরকে ফিলিপাইনে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে সমস্যা হবে বলে মনে করেন তিনি।
কারণ দক্ষিণ চীন সাগরে সীমানা নিয়ে চীনের সঙ্গে ফিলিপাইনের বিরোধ রয়েছে। আগামী ৫ এপ্রিলের শুনানিতে উপস্থিত থাকতে এই দুই চীনা ব্যবসায়িকে সমন জারি করেছে সিনেট।
এদিকে, কিম অং চুরি হওয়া অর্থের আরো ৩৮ মিলিয়ন পেসো মুদ্রা পাচার প্রতিরোধ কাউন্সিল এএমএলসির কাছে সোমবার ফেরত দিয়েছেন। এর আগে তিনি ৪৬ লাখ ৩০ হাজার ডলার ফেরত দেন।