বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের অর্থ চুরির ঘটনার রহস্য উন্মোচনে ফিলিপাইনের সিনেট ব্লু -রিবন কমিটিতে ৪র্থ দফায় শুনানি আজকের- মঙ্গলবারের মতো শেষ হয়েছে। স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১১ টায় শুনানি শুরু হয়।
শুনানিতে মুখোমুখি হন এ ঘটনায় দুই প্রধান আলোচিত রিজাল ব্যাংকের সাবেক শাখা ব্যবস্থাপক মাইয়া সান্তোস দিগুইতো ও ক্যাসিনো ব্যবসায়ী কিম অং।
শুনানিতে দিগুইতো বলেন, রিজাল ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট লরেঞ্জো তান রিজার্ভের চুরি হওয়া ওই অর্থের বিষয়ে জানতেন।
তিনি আরো বলেন, অর্থ পাচারের বিষয়টি তিনি জানতেন না, লরেঞ্জো তানকে বিশ্বাস করে ভুল করেছেন বলেও স্বীকার করেন দিগুইতো।
এছাড়া এ ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ওয়েকেইয়াং জোকে চেনেন না বলে জানান দিগুইতো।
এ সময় তিনি কোনো প্রতিষ্ঠানকে অর্থ ছাড় করেনি এমনকি কারো কাছ থেকে কোনো অর্থ গ্রহণও করেনি বলে জানান তিনি।
এদিকে, শুনানিতে ব্যবসায়ী কিম অং বলেন, তিনি চুরি হওয়া ওই অর্থের মধ্যে আরো ৯৭ লাখ ৩৪ হাজার ৮৯০ ডলার ফিরিয়ে দিতে চান। তবে অর্থ জোগাড় করতে ১৫ থেকে ৩০ দিন সময় চেয়েছেন কিম। এর আগে দুই দফায় ৫৪ লাখ ৬০ হাজার ডলারের মতো ফেরত দেন তিনি।
এদিকে, রিজার্ভের অর্থ চুরির ঘটনায় সিনেট শুনানিতে রেমিটেন্স কোম্পানি ফিলরেমের প্রেসিডেন্ট ও ব্যবসায়ী কিমের বক্তব্যের মধ্যে অসঙ্গতি লক্ষ্য করা যায়। ফিলরেম বলছে, পেসোতে রূপান্তরিত করা চুরির ওই ১৭ মিলিয়ন ডলার তাদের কাছে নেই। তবে ওই অর্থ ফিলরেমের কাছে আছেই বলে দাবি করছেন কিম।