বিশ্বের ২২০ কোটির বেশি মানুষ জিকা ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকিতে রয়েছে। বাংলাদেশও রয়েছে এ তালিকায়। সর্বসাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় এমন তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে এশিয়ার ভারত, ইন্দোনেশিয়া ও চীন জিকা ঝুঁকিতে রয়েছে।
এছাড়াও আফ্রিকার নাইজেরিয়া, গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, উগান্ডা ও তানজানিয়া এবং আমেরিকা অঞ্চলের ব্রাজিল, মেক্সিকো, কলম্বিয়া এবং ভেনিজুয়েলা ভয়াবহ জিকা সংক্রমণের ঝুঁকিতে রয়েছে।
গত বছরের অক্টোবর থেকে ব্রাজিলে মহামারী আকার ধারণ করে জিকা ভাইরাস সংক্রমণ। এডিস ইজিপ্টি মশা বাহিত এই ভাইরাসে আক্রান্ত গর্ভবতী মাদের ভ্রুণ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং মস্তিস্কে বিকৃতি নিয়ে শিশু জন্মগ্রহণ করে।
এরকম প্রায় ৪ হাজার শিশুর জন্ম হয় ব্রাজিলে। ক্রমেই পাশ্ববর্তী দেশ কলম্বিয়া, ভেনিজুয়েলায়ও ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ে। এর পরিপ্রেক্ষিতে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে স্বাস্থ্যখাতে জরুরি অবস্থা জারি করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
বিশ্বে বর্তমানে ২২০ কোটির বেশি মানুষ জিকা ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকিতে রয়েছে বলে নতুন এক সমীক্ষায় দেখা গেছে। ই-লাইফ সাময়িকীতে এই সমীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়। বিশ্বের খ্যাতনামা ১৩ টি বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা সংস্থা এ সমীক্ষা চালায়।
এতে দেখা যায়, এশিয়ার ১৪২ কোটি ২১ লাখ ৩০ হাজার মানুষ জিকা সংক্রমনের ঝুঁকিতে আছে। এরইমধ্যে বাংলাদেশের প্রায় ১৩ কোটি ৩৩ লাখ মানুষও রয়েছে।
এছাড়াও ভারত, ইন্দোনেশিয়া এবং চীন জিকা ঝুকিতে আছে। আফ্রিকা অঞ্চলে নাইজেরিয়া, ডিআর কঙ্গো, উগান্ডা এবং তানজানিয়ার ৪০ কোটি ৫২ লাখ আর ব্রাজিল, মেক্সিকো, কলম্বিয়া এবং ভেনিজুয়েলার প্রায় ৩০ কোটি মানুষ জিকা সংক্রমণের ঝুঁকিতে রয়েছে।