সুইফটের কর্মকর্তাদের অবহেলার কারণেই বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সার্ভার হ্যাকারদের সামনে উন্মুক্ত হয়ে পড়ে বলে মনে করছেন পুলিশের তদন্তকারীরা।
সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি নিয়ে বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের তদন্তকারীদের বরাত দিয়ে একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
সিআইডির অতিরিক্ত উপ-মহাপরিদর্শক শাহ আলমকে উদ্ধৃত করে রয়টার্সের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, সেই টেকনিশিয়ানরা বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো রিয়েল টাইম গ্রস সেটেলমেন্ট সিস্টেম এর সঙ্গে সুইফটকে যুক্ত করে যান।
তবে ওই সময় নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য যে প্রক্রিয়াগুলো অনুসরণ করার কথা সুইফট ঠিক করে দেয় তাদের টেকনিশিয়ানরা তা করেনি। এক্ষেত্রে কিছু লুপহোল খুঁজে পাওয়া গেছে বলে জানান সিআইডির ওই কর্মকর্তা।
পুলিশ আরো বলছে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওই প্লাটফর্মের সাইবার নিরাপত্তার অন্য কোন ফায়ারওয়াল ছিল না। ব্যবহার করা হচ্ছিল সাধারণ সুইচ।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, দুর্বলতাগুলো খুঁজে দেখা সুইফটের দায়িত্ব ছিল কারণ তারাই ওই সিস্টেম বসিয়ে দিয়ে গিয়েছিল।
এদিকে, এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের টিভি চ্যানেল সিএনবিসিতে প্রচারিত এক সাক্ষাৎকারে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের দায়িত্বে অবহেলার কারণেই রিজার্ভের অর্থ চুরির ঘটনা ঘটেছে। তবে প্রাথমিক তদন্তে সুইফটের কার্যক্রমে ত্রুটি পাওয়া গেছে বলেও ওইসময় জানিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী।