বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টিকরা ফাঁস হওয়া পানামা পেপারসের নথিতে দুটি কোম্পানিসহ কমপক্ষে ৫৬ জন বাংলাদেশির নাম এসেছে। এদেরমধ্যে ব্যবসায়ী ও রাজনীতিকরা রয়েছেন।
বাকী বাংলাদেশিদের নাম এসেছে ২০১৩ সালে আইসিআইজে প্রকাশিত ‘অফশোর লিকসে’।
গতকাল বাংলাদেশ সময় মধ্যরাতে পানামা পেপারসের নথিতে থাকা ৩ লাখ ২০ হাজার অফশোর কোম্পানি ও সংশ্লিষ্টদের নাম প্রকাশ শুরু করে অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের আন্তর্জাতিক সংগঠন আইসিআইজে।
এসব নথিতে দুইশোর বেশি দেশের ৩ লক্ষ ৬০ হাজার ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম রয়েছে। যাদের নাম এসেছে, তারা আইন ভেঙে সম্পদ গড়েছেন-এমনটা বলছে না আইসিআইজি।
এসব বাংলাদেশির মধ্যে রাজনীতিক, ব্যবসায়ী ও কোম্পানির সিইও রয়েছেন। এদের অনেকেই বিদেশি ঠিকানা ব্যবহার করে অস্থিত্বহীন কোম্পানির শেয়ার হোল্ডার হিসেবে অফশোর ব্যবসায় যুক্ত রয়েছেন।
এছাড়া বাংলাদেশের কমপক্ষে ১৪টি ঠিকানা এসেছে পানামা পেপার্সে, যেগুলো ব্যবহার করে বিদেশি ব্যক্তিদের নামে অফশোর কোম্পানির শেয়ার কেনা হয়েছে।
তবে অর্থ পাচার করতে কিংবা কর ফাঁকি দিতে আইনের ফাঁক-ফোঁকর খুঁজেছেন অনেকেই।
গত ৪ এপ্রিল মোসাক ফনসেকা নামে পানামার একটি আইনি পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের ১ কোটি ১৫ লাখ গোপন নথি ফাঁস হয়। এ ঘটনায় তোলপাড় শুরু হয় বিশ্বজুড়ে।