জাপানের ইসে-শিমায় জি-৭ শীর্ষ সম্মেলন শুরু হয়েছে—সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে নেতারা বিশ্বের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ, শরণার্থী সঙ্কটসহ নানা আঞ্চলিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা করছেন। তারা দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের ক্রমবর্ধমান সামরিক উপস্থিতির ব্যাপারে একটি কঠোর বার্তা দেয়া প্রয়োজন বলে একমত হয়েছেন।
জাপানী প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলেছেন বর্তমান বিশ্বের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে ২০০৮ সালের ঠিক আগে বিশ্বব্যাপী যে আর্থিক সঙ্কট দেখা দিয়েছিল তার মিল আছে। আবে বলেন, জি-সেভেনকে স্বীকার করতে হবে যে বিশ্ব এখন একটি ক্রান্তিকালে আছে। নেতারা যথাযথভাবে কাজ করতে ব্যর্থ হলে অর্থনীতি সংকটে পড়বে।
এ প্রসঙ্গে তিনি ২০০৮ সালে জাপানে জি-সেভেন সম্মেলনের কথা উল্লেখ করে বলেন, ওই সম্মেলনও ব্যর্থ হয়েছিল অর্থনৈতিক সংকট এড়াতে।
শীর্ষ সম্মেলনের আগে জাপানের মধ্যাঞ্চলের ইসে-শিমা অঞ্চলে জাপানী প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সঙ্গে একান্ত আলোচনা করেন। অর্থনীতি ও সন্ত্রাসের মতো বৈশ্বিক উদ্বেগের বিষয় নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি শিনজো আবে জাপানে মার্কিন সামরিক উপস্থিতির দ্বিপাক্ষিক বিষয়টি উত্থাপন করেন।
এবারের শীর্ষ সম্মেলেনের মূল আলোচ্য বিষয় বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি। এছাড়া, সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ, শরনার্থী সংকট, সাইবার নিরাপত্তা, সমুদ্র নিরাপত্তা, সিরিয়ার আঞ্চলিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে।
উদ্বোধনী অধিবেশনে নেতৃবৃন্দ একমত হয়েছেন যে, দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের ক্রমবর্ধমান সামরিক উপস্থিতির ব্যাপারে একটি কঠোর বার্তা দেয়া প্রয়োজন।