বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি বাড়াতে একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন শিল্পোন্নত সাত জাতি গ্রুপ জি-সেভেনের নেতারা। শুক্রবার সম্মেলনের সমাপনী দিনে এক যৌথ ঘোষণায় এ অঙ্গীকার করা হয়।
এছাড়াও প্রবৃদ্ধি ও উৎপাদনশীলতা বাড়াতে অবকাঠামোগত সংস্কার আরো এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকারও করা হয় এ ঘোষণায়। সেইসঙ্গে দক্ষিণ চীন সাগরের পরিস্থিতি এবং উত্তর কোরিয়ার পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।
স্থানীয় সময় শুক্রবার জাপানের ইসে-শিমায় শিল্পোন্নত সাত জাতি গ্রুপ জি-সেভেনের দুই দিনব্যাপী সম্মেলন শেষ হয়েছে। এসেছে যৌথ ঘোষণাও। এতে নেতারা বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি বাড়াতে একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার করেন।
এ যৌথ ঘোষণায় নেতৃবৃন্দ বলেন, আর্থিক সংকট এড়াতে যথাসময়ে সঠিক নীতিমালা গ্রহণের মাধ্যমে বিদ্যমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রচেষ্টা জোরদারে তারা অঙ্গীকারাবদ্ধ। এছাড়া প্রবৃদ্ধি ও উৎপাদনশীলতা বাড়াতে অবকাঠামোগত সংস্কার আরো এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকারও করা হয় এ ঘোষণায়।
একইসঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে যুক্তরাজ্য বের হয়ে গেলে তা বিশ্ব প্রবৃদ্ধিতে বিরূপ প্রভাব ফেলবে বলেও মন্তব্য করেন তারা।
জাপান ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে আন্তঃপ্রশান্ত মহাসাগরীয় অংশীদারিত্ব চুক্তি এবং অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তির মাধ্যমে জি-সেভেন দেশগুলো অবাধ ও মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল সমাপ্রসারনে একযোগে কাজ করে যাবে বলে ঘোষণায় বলা হয়।
নেতারা অভিবাসন ও শরণার্থী ইস্যুকে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ অভিহিত করে এব্যাপারে বিশ্বসম্প্রদায়কে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। সেইসঙ্গে পূর্ব ও দক্ষিণ চীন সাগরের পরিস্থিতি এবং উত্তর কোরিয়ার পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তারা।