রাজধানীর গুলশানে জঙ্গি হামলার ঘটনায় নিহত ৭ জাপানি নাগরিক জাপানি সংস্থা 'জাইকা'র একটি প্রকল্পে পরামর্শক হিসেবে কর্মরত ছিলেন বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির প্রধান সিনিসি কিতাওকা।
টোকিওতে, স্থানীয় সময় রোববার সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।
এ সময় তিনি জানান, নিরাপত্তাজনিত কারণে ঢাকার স্থানীয় জাইকা অফিস থেকে সেখানকার জাপানি কর্মীদের রাতের বেলায় বাড়ির বাইরে বের না হতে সতর্ক করা হয়েছিল।
তিনি বলেন, এটা খুব দুঃখজনক। হয়ত তাদের সবার কাছে ঠিকভাবে বার্তাটি পৌঁছায়নি।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের পরিস্থিতি বিবেচনা করে জাইকার কর্মী ও পরামর্শকদের ঢাকায় থেকে যাওয়া কিংবা জাপানে ফিরে যাওয়ার জন্য বলা হবে।
সন্ত্রাসী হামলায় ৭ জাপানি নিহত হন। তারা হলেন: তানাকা হিরোশি, সাকাই ইউকু, কুরুসাকি নুবুহিরি, ওকামুরা মাকাতো, শিমুধুইরা রুই, হাসিমাতো হিদেকো ও কোয়ো ওগাসাওয়ার।
শনিবার জিম্মিদের উদ্ধার অভিযানে নামে যৌথবাহিনী। অপারেশন থান্ডারবোল্টের মাধ্যমে ৩ জন বিদেশি তারমধ্যে একজন জাপানি এবং ২ জন শ্রীলঙ্কান নাগরিকসহ ১৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হয় যৌথ বাহিনী। অভিযানে ৭ জন সন্ত্রাসীর মাধ্যমে ৬ জন নিহত এবং একজন সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়। শুক্রবার রাতে মারা যান দুই পুলিশ কর্মকর্তা। শুক্রবার রাতে ২০ জন হত্যা করে সন্ত্রাসীরা।