আন্তর্জাতিক

ডালাসে পুলিশের ওপর হামলাকারী নিহত

ডালাসে হামলা
ডালাসে হামলা

যুক্তরাষ্ট্রের ডালাসে বিক্ষোভ চলাকালীন গুলিতে পাঁচ পুলিশ সদস্য নিহত হওয়ার পর হামলাকারীকে ‘রোবট বোমা মেরে হত্যা করা হয়েছে।

ডালাসের মেয়র মাইক রলিংস জানিয়েছেন, হামলাকারী একজনই ছিলেন— তার বাড়ি তল্লাশি চালিয়ে রাইফেল, গুলি ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম পেয়েছে পুলিশ।

তিনি বলেন, বন্দুকধারী জনসনকে আত্মসমর্পণের আহ্বান জানানো হয়েছিল, কিন্তু তিনি তা গ্রহণ না করে নিজের অবস্থানে থাকার সিদ্ধান্তই নিয়েছিলেন।

তবে এটা এখনও স্পষ্ট নয়, ‘রোবট বোমা’ পাঠানোর আগে জনসনকে নিরস্ত্র করতে পুলিশ কী পদক্ষেপ নিয়েছিল। স্পষ্ট নয় এটাই, প্রতিরক্ষা বাহিনীর এই কৌশল পুলিশ কবে রপ্ত করল।

সন্দেহভাজন ওই হামলকারী কৃষ্ণাঙ্গ তার নাম মাইকা জনসন।

হামলার একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে তিনি মারা যান। মাইকা এক সময় সেনাবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন, আফগান যুদ্ধেও অংশ নিয়েছিলেন তিনি।

মেয়র মাইক রাওলিংস জানিয়েছেন, কর্মকর্তাদের বিশ্বাস, তিনি একাই পুলিশের ওপর গুলি চালিয়েছেন।

এদিকে, ডালাসের পুলিশ প্রধান ব্রাউন দাবি করেছেন, হামলাকারী যেন আত্মসমর্পণ করেন, সে জন্য এক মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে আলোচনা চলছিল।

আলোচনার সময় মাইকা জানান, সম্প্রতি পুলিশ যেভাবে কৃষ্ণাঙ্গদের গুলি করে হত্যা করেছে এ নিয়ে তিনি ক্ষুব্ধ ছিলেন।

পুলিশের ভাষ্য, তিনি কেবল শ্বেতাঙ্গ পুলিশ অফিসারদেরই হত্যা করতে চেয়েছিলেন।

পুলিশ আরো জানায়, এক সময় হামলাকারীকে কোণঠাসা করে ফেলা হয়— এরপর সেখানে রোবট পুলিশ পাঠিয়ে বোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হলে মাইকা নিহত হন।

টেক্সাসের ডালাসে গত বৃহস্পতিবার রাতে কৃষ্ণাঙ্গদের বিক্ষোভের এক পর্যায়ে উঁচু ভবন থেকে গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয় পাঁচ শ্বেতাঙ্গ পুলিশকে। এরপর শুক্রবার সকালে বন্দুকধারীও নিহত হন।

নিহত কৃষ্ণাঙ্গ মাইকা জেভিয়ার জনসন যুক্তরাষ্ট্র সেনাবাহিনীতে ছিলেন এক সময়। আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র বাহিনীর হয়ে লড়েছিলেন তিনি। পুলিশের গুলিতে দুই কৃষ্ণাঙ্গ নিহতের প্রতিবাদের সময় তিনি ওই ঘটনা ঘটান।

রয়টার্স জানিয়েছে, হামলার পর একটি গ্যারেজে আশ্রয় নেয় জনসন। তাকে নিষ্ক্রিয় করতে ‘রোবট বোমা ব্যবহার করা হয় জানিয়ে সামরিক বাহিনী আগে ব্যবহার করলেও পুলিশের এ কৌশল ব্যবহার এটাই প্রথম।

ডালাসের পুলিশ প্রধান ডেভিড ব্রাউন, সামরিক ক্ষেত্রে প্রয়োগের এ কৌশল যুদ্ধক্ষেত্র নয়- এমন স্থানে প্রয়োগের বিষয়ে বলেন, তাদের কাছে এর বিকল্প ছিল না।

জনসন যেখানে ছিলেন, সেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী একটি ‘রোবট বোমা’ পাঠিয়ে দেয়, রোবটটি যথাস্থানে পৌঁছার পর দূর নিয়ন্ত্রকের মাধ্যমে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়, যাতে জনসন মারা যান।

ঠিক ওই সময়ে আমরা কোনো উপায়ই পাচ্ছিলাম না, অন্য কোনো পন্থা অবলম্বন করতে গেলে বাহিনীর অনেক সদস্যকে প্রাণহানির ঝুঁকিতে ঠেলে দেয়া হত। আত্মপক্ষ সমর্থনে যুক্তি দেখান পুলিশ প্রধান ব্রাউন।

দেশটিভি/আরসি
দেশ-বিদেশের সকল তাৎক্ষণিক সংবাদ, দেশ টিভির জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখতে, সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল:

এছাড়াও রয়েছে

ইমরান খানকে সংসদ সদস্য পদের অযোগ্য ঘোষণা

কংগ্রেসের নতুন সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে

যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুকধারীর গুলিতে পুলিশ কর্মকর্তাসহ পাঁচজন নিহত

ঘুষ নেওয়ার দায়ে সু চির আরও ৩ বছরের কারাদণ্ড

আয়ারল্যান্ডের পেট্রোল স্টেশনে বিস্ফোরণ, নিহত ১০

থাইল্যান্ডে শিশু দিবাযত্নকেন্দ্রে হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৮

নজিরবিহীন ধাক্কার কবলে পড়ছে দক্ষিণ এশিয়া : বিশ্বব্যাংক

থাইল্যান্ডে দিবাযন্ত্র কেন্দ্রে বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত ৩৪

সর্বশেষ খবর

স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার নারী দিবস উদযাপন

শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মোস্তাফিজুর রহমান

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইউল্যাব’ শিক্ষার্থীদের ফটোওয়াক

ভান্ডারিয়া ও মঠবাড়িয়ায় পৌর প্রশাসক নিয়োগ