পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় ৪৬ দিনের মাথায় প্রত্যাহার করা হয়েছে ভারতের শ্রীনগরের বেশিরভাগ এলাকার কারফিউ। এছাড়া জনগণের চালাফেরায় নিষেধাজ্ঞাসমূহ শিথিল করা হয়েছে।
এসব এলাকায় কারফিউ তুলে নেওয়ার পর লাল চৌক শহরের কেন্দ্র ও এর আশাপাশের এলাকার জনজীবন স্বাভাবিক হয়ে এসেছে। অবাধে চলছে গাড়ি ও অটোরিকশা।
তবে জম্মু ও কাশ্মীরের বেশ কিছু এখনো এলাকায় কারফিউ বলবত রয়েছে। এগুলো হলো: শহরের কেন্দ্রের ৫টি পুলিশ স্টেশন, বাতামালো, মাইসুমা, কার্লখুদ এবং দক্ষিণ কাশ্মীরের আনান্তনাগ।
পুরো উপত্যকার আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে ৪ কিংবা তার চেয়েও বেশি ব্যক্তির ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখেছে কর্তৃপক্ষ।
গত জুলাই মাসে আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর হাতে বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠি হিজবুল মুজাহিদিনের কমান্ডার বুরহান ওয়ানির নিহত হওয়ার পর বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে কাশ্মীর। এ সময় সংঘর্ষে ২ পুলিশসহ ৬৪ জন নিহত হয়। এরপরই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কারফিউ জারি করে কর্তৃপক্ষ।