মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দুই প্রার্থী হিলারি ক্লিনটন ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের তিন দফা বিতর্কের প্রথমটি অনুষ্ঠিত হলো নিউইয়র্কের হফস্ট্রা বিশ্ববিদ্যালয়ে।
৯০ মিনিটের এই বিতর্কে অর্থনীতি, আইনশৃংখলা, সাইবার নিরাপত্তা,পররাষ্ট্রনীতি, আইএস ও ব্যক্তিগত নানা বিষয় নিয়ে যুক্তি-তর্কের ঝাঝাঁলো লড়াই করেন ডেমোক্রটিক ও রিপাবলিকান প্রার্থী।
পৃথিবী জুড়ে প্রায় ১০০ মিলিয়ন টিভি দর্শক বিতর্কটি সরাসরি দেখেছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
বিতর্কে মডারেটরের দায়িত্ব পালন করেন এনবিসি টিভির অ্যাংকর লেস্টর হল্ট। হিলারি প্রতিশ্রুতি দেন তার অর্থনৈতিক পরিকল্পনা ৩২ লক্ষ নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করবে। ট্র্যাম্প ট্যাক্স কমানোর ঘোষণা দেন।
বিতর্কের শুরুতে কিছুটা শান্ত পরিস্থিতি থাকলেও পরে বিতর্কে উত্তেজনা শুরু হয়।
হিলারি বলেন, ট্রাম্প নিজেকে ঋণের রাজা বলতে পছন্দ করেন। ব্যবসা করতে গিয়ে ছয় ছয়বার তিনি নিজেকে দেউলিয়া ঘোষণা করেন।
এর জবাবে ট্রাম্প যুতসই উত্তর দিতে পারেননি। জানান আইনের সুযোগ নিয়েছেন তিনি।
হিলারি আরো বলেন, হাউজিং খাতে সংকট সৃষ্টি করেছিলেন ট্র্যাম্প। এতে লাখ লাখ আমেরিকান ক্ষতিগ্রস্থ হন জবাবে ট্র্যাম্প বলেন এটা ব্যবসা।
এছাড়াও বর্ণবাদীতা, অপরাধ ও বিচার ব্যবস্থা প্রসঙ্গও উঠে আসে এ বিতর্কে। বর্ণবাদ ও সন্ত্রাস ঠেকাতে ব্যর্থ ওবামা প্রশাসন বলে মন্তব্য করেন ট্রাম্প। ষ্টপ অ্যান্ড ফ্রিক্সকে একটি সহজ সমাধানের পথ হিসবে উল্লেখ করেন তিনি।
এ সময় সঞ্চালক এটিকে অসংবিধানিক বলে মন্তব্য করেন।
হিলারি কমিউনিটি পুলিশিংয়ের ওপর জোর দিয়ে বলেন, কৃষ্ণাঙ্গদের ব্যাপারে দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে হবে। ট্র্যাম্প আইএস সৃষ্টির জন্য হিলারিকে দোষারুপ করেন।
শেষ প্রশ্নের উত্তরে হিলারির প্রেসিডিন্সিয়াল লুক ও শারীরিক সামর্থ নেই বলে মন্তব্য করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
আর হিলারিও উল্লেখ করেন, নারী নিয়ে ট্রাম্পের বিভিন্ন অবমাননাজনক মন্তব্যের কথা।