চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিন পিংয়ের ঢাকা সফরের মধ্য দিয়ে চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক এখন কৌশলগত অংশীদারিত্বমূলক সহযোগিতায় উন্নিত হয়েছে বলে মনে করছে চীনের গণমাধ্যমগুলো। সে দেশের বিশ্লেষকরা মনে করেন, এ সম্পর্ক দু’দেশের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক ক্ষেত্র আরো সম্প্রসারিত করবে। এছাড়াও ২ হাজার বছরের পুরনো ‘সিল্ক রুট প্রকল্প’ বাস্তবায়নের পথও করবে প্রশস্থ।
চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিন পিংয়ের বাংলাদেশ সফরকে কেন্দ্র করে দু’দেশের সম্পর্কের কতোটা উন্নতি হবে ও এতে কী কী লাভ হবে— তা নিয়ে চীনা গণমাধ্যমগুলোতেও বিশ্লেষণ চলছে।
সিসিটিভিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে চায়না ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের সিনিয়র গবেষক জিয়া জিউডং বলেন, এ সময়ে চীনের প্রেসিডেন্টের সফরের কারণে দু’দেশই লাভবান হবে। দু’দেশের ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা বাড়াতে এটি সহায়তা করবে।
গত দশক থেকে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ৬% তবে মধ্য আয়ের দেশ হিসেবে লক্ষ্য অর্জন করতে হলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৮% উন্নিত করতে হবে।
অর্থাৎ দেশটিকে কাজ করতে হবে অনেক, অন্য সব দেশের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। যদিও তৈরি পোশাক শিল্প খাতে বাংলাদেশ যথেষ্ট এগিয়ে তবে ব্যাবসা-বাণিজ্য ক্ষেত্রে দেশটির কর্মপরিবেশ আরো উন্নত করা প্রয়োজন।
এ সব ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে সহায়তা করতে পারে চীন।
সিল্ক রোড বা ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ প্রকল্পের আওতায় চীন ও বাংলাদেশ কী কী সুবিধা পেতে পারে— এর উত্তরে জিয়া জিউডং বলেন, এ প্রকল্পে বাংলাদেশ কৌশলগতভাবে খুব গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তায়নের মাধ্যমে দু’দেশই বাণিজ্যিকভাবে লাভবান হবে।
চীন বাংলাদেশের অন্যতম বড় বাণিজ্যিক অংশীদার। বাংলাদেশের শিল্পায়ন ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে সহযোগিতা করবে চীন।
চীন, বাংলাদেশ, ভারত ও মিয়ানমারে অর্থনৈতিক করিডোর নির্মানে কাজ করতে পারে দু’দেশ। এতে বাংলাদেশ ও চীন দু’দেশই লাভবান হবে।