যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আর মাত্র এক সপ্তাহ বাকি এবার মার্কিন জনগণ বেছে নিবে তাদের ৪৫তম প্রেসিডেন্টকে।
ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী হিলারি ক্লিনটন এ পর্যন্ত প্রায় সবকটি জনমত জরিপে তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকান পার্টির ডোনাল্ড ট্রাম্পের চেয়ে কিছুটা এগিয়ে আছেন। তবে হিলারির আরো কিছু ই-মেইলের বিষয়ে এফবিআই' এর তদন্ত শুরুর পদক্ষেপ তার জনসমর্থনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা ডেমোক্রেট শিবিরের।
আগামী ৮ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। এতে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হতে যাচ্ছে ডেমোক্রেট প্রার্থী হিলারি ক্লিনটন আর রিপাবলিকান ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে। এবারের নির্বাচনে দুই প্রার্থী একে অপরের বিরুদ্ধে এমনভাবে কাঁদা ছোড়াছুড়ি করছেন যেমনটা আগে কখনো যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ দেখেনি।
নারীদের সম্পর্কে ট্রাম্পের অবমাননাকর মন্তব্যের অডিও ফাঁসের জেরে বেশ কয়েকজন নারীর ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এরমধ্যেই নির্বাচনের মাত্র কয়েকদিন আগে হিলারির আরো কিছু ই-মেইল বিষয়ে এফবিআই নতুন করে তদন্ত শুরুর পদক্ষেপ নেয়ায় ওই ই-মেইল বিতর্ক নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
ইমেইল তদন্ত শুরু হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে জনসমর্থন কিছুটা কমেছে হিলারির- জনমত জরিপে এমনটাই দেখা গেছে।
তারপরও বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও জরিপ সংস্থা ইপসোসের সর্বশেষ জরিপের ফলাফলে দেখা যায়, ট্রাম্পের চেয়ে পাঁচ পয়েন্টে এগিয়ে রয়েছেন হিলারি।
গত ২৬ থেকে ৩০ অক্টোবরের মধ্যে করা এই জরিপে সম্ভাব্য ভোটারদের মধ্যে ৪৪ শতাংশ জানিয়েছেন, তারা হিলরিকে ভোট দেবেন। অন্যদিকে, ৩৯ শতাংশ জানিয়েছেন তারা ট্রাম্পকে সমর্থন করেন।
এদিকে, ইমেইল তদন্তের ঘটনায় এফবিআই প্রধান জেমস কোমির উপর ক্ষেপেছে হিলারি শিবির। নির্বাচনের কয়েকদিন আগে একজন প্রার্থীর বিরুদ্ধে তদন্তের অভিযোগ এনে এফবিআই প্রধান আইন লঙ্ঘন করছেন বলেও তারা অভিযোগ তুলেছে।
ডেমোক্রেট শিবির বলছে, এফবিআই প্রধানের এ পদক্ষেপ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। একটি রাজনৈতিক দলকে সাহায্যের জন্যই এফবিআই পরিচালক এমনটি করেছেন- বলেও অভিযোগ তাদের।
সবমিলিয়ে নার্বচনী প্রচারণা এখন তুঙ্গে। এরইমধ্যে অন্তত ২০ মিলিয়ন ভোটার আগাম ভোট দিয়েছেন। তবে ই-মেইল ইস্যু ভোটারদের ওপর কী প্রভাব ফেলবে তা এখনো স্পষ্ট নয়।