যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারণার শেষপর্যায়ে এসে ইলেক্টোরাল ভোটের হিসাবে ডেমোক্রেট প্রার্থী হিলারি ক্লিনটন এগিয়ে আছেন। অবশ্য প্রতিদ্বন্দ্বী ডোনাল্ড ট্রাম্পও জনসমর্থনের ব্যবধান অনেক কমিয়ে এনেছেন।
সর্বশেষ জরিপে হিলারির ২৫৬টি ইলেক্টোরাল ভোট পাওয়া প্রায় নিশ্চিত। সব মিলিয়ে হিলারির মোট ৩০২ ভোট জয়ের সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। আর ট্রাম্প ২৩৬টি ইলেক্টোরাল ভোট পেতে পারেন। নিয়ম অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতে কমপক্ষে ২৭০ ইলেক্টোরিয়াল পেতে হবে।
রয়টার্সের তথ্য মতে, গত একসপ্তাহে ২৪টি অঙ্গরাজ্যে ট্রাম্পের সমর্থক বেড়েছে কমেছে ১১ অঙ্গরাজ্যে। অন্যদিকে, ১৩টি অঙ্গরাজ্যে হিলারির সমর্থন বেড়েছে, কমেছে ২২টিতে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সাধারণ ভোটাররা ভোট দিলেও প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন ইলেক্টোরাল কলেজের ভোটে। দেশটির ৫০টি অঙ্গরাজ্যে ইলেক্টোরাল কলেজের ভোট রয়েছে ৫৩৮টি। এ প্রক্রিয়ায় কোনো প্রার্থীকে বিজয়ী হতে হলে তাকে অবশ্যই ২৭০টি ইলেক্টোরাল ভোট পেতে হবে।
দেশটির বড় দুই দলের প্রার্থী চূড়ান্ত হওয়ার পর জনমত জরিপগুলোতে হিলারি প্রায় সবসময়ই এগিয়ে ছিলেন। কিন্তু নির্বাচনী প্রচারণার শেষ পর্যায়ে এসে গত সপ্তাহ থেকে ট্রাম্প ব্যবধান কমিয়ে আনতে শুরু করেন।
সর্বশেষ জরিপে হিলারির ২৫৬টি সলিড ইলেক্টোরাল ভোট এবং মোট ৩০২ ভোট জয়ের সম্ভাবনার কথা বলা হচ্ছে। আর ট্রাম্প ২৩৬টি পেতে পারেন।
রয়টার্সের তথ্য মতে, গত এক সপ্তাহে ২৪টি অঙ্গরাজ্যে ট্রাম্পের সমর্থক বেড়েছে, কমেছে ১১টি অঙ্গরাজ্যে। অন্যদিকে, ১৩টি অঙ্গরাজ্যে হিলারির সমর্থন বেড়েছে, কমেছে ২২টিতে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, হোয়াইট হাউজে যেতে হলে ট্রাম্পকে অবশ্যই ফ্লোরিডায় বিজয়ী হতে হবে। এ রাজ্যে ইলেক্টোরাল ভোট ২৯টি। হিলারির জন্যও এই রাজ্য গুরুত্বপূর্ণ। বৃহস্পতিবার মায়ামিতে এক নির্বাচনী সমাবেশে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাও বলেছেন, ফ্লোরিডায় জয়ী হলেই হিলারির প্রেসিডেন্ট হওয়া নিশ্চিত। তাই এই রাজ্যে দুই প্রার্থির মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাচনের আগের দিন নিউইয়র্ক, টেক্সাস এবং ভার্জিনিয়ায় আল কায়দার হামলা হওয়ার আশঙ্কা আছে বলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করে দিয়েছেন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা।
এ ধরনের হামলার হুমকির কারণে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে ভোটার উপস্থিতি কমে যাওয়া এবং প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফলাফলে বড় ধরনের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।