আর মাত্র একদিন পরই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন— শেষ মুহূর্তে হিলারি ক্লিনটন আর ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে চলছে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা। তুমুল প্রচারণায় ব্যস্ত দুই প্রেসিডেন্ট প্রার্থী।
ভোটের মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে আবারো ঝড় তুলেছে হিলারির ই-মেইল ইস্যু। তবে ই-মেইল সংক্রান্ত পুনঃতদন্তে বেআইনি কিছু মেলেনি বলেই কংগ্রেস সদস্যদের চিঠি দিয়েছেন এফবিআই পরিচালক জেমস কোমি।
আর নাখোশ ট্রাম্প বলছেন, এটি ভোট কারচুপির নতুন পন্থা।
মার্কিন নির্বাচনের ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী হিলারি ক্লিনটন ও রিপাবলিকান পার্টির ডোনাল্ড ট্রাম্প, দুজনেই আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন।
শেষ মুহূর্তে দুই প্রার্থীই প্রচারণা চালাচ্ছেন ব্যাটেলগ্রাউন্ড অঙ্গরাজ্যগুলোতে। যুক্তরাষ্ট্রের এবারের নির্বাচনে ১৩টি অঙ্গরাজ্যকে ব্যাটেলগ্রাউন্ড হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে।
সর্বশেষ জরিপ অনুযায়ী, এর মধ্যে ৭টিতে রিপাবলিকান প্রার্থী ট্রাম্প ও ৬টি ডেমোক্রেট প্রার্থী হিলারি এগিয়ে আছেন।
সোমবার মধ্যরাতে নর্থ ক্যারোলাইনার রাজধানী রালেগে এক র্যা লিতে সর্বশেষ নির্বাচনী প্রচারণায় দেখা যাবে হিলারিকে। একই সময়ে মিশিগানে অনুষ্ঠিত হবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের শেষ র্যা লি।
এদিকে, নির্বাচনের শেষ মুহূর্তে এসে স্বস্তির খবর পেলেন হিলারি ক্লিনটন। তদন্তে হিলারির ব্যক্তিগত ইমেইলগুলোর মধ্যে কোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ মেলেনি।
কংগ্রেস সদস্যদের প্রতি রোববার লেখা এক চিঠিতে সংস্থাটির প্রধান জেমস কোমি এ কথা জানান।
তিনি বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালে হিলারি ক্লিনটনের কাছে আসা এবং তার পাঠানো ইমেইলগুলোর তদন্তে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করা হয়েছে। তদন্তের পর হিলারির বিরুদ্ধে মামলা না করার বিষয়ে চলতি বছরের জুলাই মাসে যে সুপারিশ করা হয়েছিল তা থেকে সরে আসেনি এফবিআই।
বিষয়টি নিষ্পত্তি হওয়ায় তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় আনন্দ প্রকাশ করেছেন নির্বাচনী প্রচারণায় থাকা ক্লিনটনের জনসংযোগ পরিচালক জেনিফার পালমিয়ারি।
তবে এ নিয়ে প্রতিপক্ষকে এতো সহজে ছাড় দিতে রাজি নয় রিপাবলিকান শিবির আর এটিকে ভোট কারচুপির নতুন পন্থা বলে মন্তব্য করছেন ট্রাম্প।