সব আলোচনা-সমালোচনার ঊর্ধ্বে গিয়ে আমেরিকার ৪৫তম প্রেসিডেন্ট হলেন রিপাবলিকান পার্টির ডোলাল্ড ট্রাম্প।
১৯৮৮ সালে রিপাবলিকান পার্টিতে যোগ দেয়ার পর তিন বার প্রেসিডেন্সিয়াল নির্বাচনের চেষ্টা করেছিলেন ট্রাম্প। ছিলেন জর্জ ডব্লিউ বুশের রানিংমেট। আবশেষে ২০১৬ সালে এসে রিপাবলিক্যান পার্টির হয়ে সুযোগ তিনি পেয়ে তার যথার্থ সুব্যবহার করেছেন তিনি।
একাধারে যুক্তরাষ্ট্রের ধনকুবের, সমাজ সেবক, সাহিত্যিক, অভিনেতা, টিভি উপস্থাপক ও বিনিয়োগকারী ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিতর্কিত মন্তব্যের মতোই বিতর্ক রয়েছে তার রাজনৈতিক জীবন নিয়েও। ট্রম্পের রাজনৈতিক জীবন নিয়ে গবেষণাকারীরা বলেন, ১৯৮৮ সালের আগে ডেমোক্রাট দলের রাজনীতি করতেন ট্রাম্প।
ডোনাল্ড ট্রাম্প সিনিয়রের জন্ম ১৯৪৬ সালের ১৪ জুন, আমেরিকার নিউইয়র্ক শহরে। ছোট বেলা থেকে দুরন্ত হওয়ায় ট্রাম্পকে মিলিটারি একাডেমিতে পড়তে দিয়েছিলেন রিয়ার স্টেট ব্যবসায়ী বাবা ফ্রেড ট্রাম্প। সেখানেও সফলতার পরিচয় দিয়েছিলেন তিনি। পরে, ১৯৬০ এর পর পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যারয়ের হোয়ারটন স্কুলে অর্থনীতিতে সম্মান নিয়ে পড়ার সময় পিতার প্রতিষ্ঠানে কাজ শুরু করেন। ১৯৭১ সালে পিতার প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণভার নিয়ে প্রতিষ্ঠা করেন দ্য ট্রাম্প অরগানাইজেশন।
২০১৫ সালে রিপালিকান পার্টির প্রার্থী নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে আমেরিকায় অভিবাসন, মুসলমান, নারী নিয়ে অবমাননাকর নানা মন্তব্য নিয়ে বিতর্কিত হওয়ার পরও জনগণের রায়েই হোয়াইট হাউজের পরবর্তী উত্তরাধিকার হলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। যে প্রতিশ্রুতি নিয়ে তিনি এতদূর এসেছেন তার কতটা প্রতিফলন হয় তাই এখণ দেখবে বিশ্ববাসী।