যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিজয়ী ডোনাল্ড ট্রাম্প তার ক্ষমতা হস্তান্তর টিম রদবদল করে এর প্রধান করেছেন পর ক্ষমতা হস্তান্তর কীভাবে হবে তা নিয়ে এরইমধ্যে কাজ শুরু করে দিয়েছে ট্রাম্পের বিশাল টিম।
আগামী ১০ সপ্তাহ ধরে তারা এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে। এ টিমে রয়েছে বিশেষজ্ঞ, তদবিরকারী থেকে শুরু করে রাজনীতিবিদ, বিভিন্ন থিঙ্ক ট্যাঙ্ক আর এই টিমের নেতৃত্ব দিচ্ছেন নিউ জার্সির গভর্নর ক্রিস ক্রিস্টি।
বৃহস্পতিবার প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সঙ্গে হোয়াইট হাউসে বৈঠকের মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিজয়ী ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়া কার্যত শুরু হয়ে গেছে। এখন কীভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে তা নিয়ে ট্রাম্প তার টিমের সঙ্গে নিউইর্কের ট্রাম্প টাওয়ারে একের পর এক বৈঠক করছেন।
এরইমধ্যে শুক্রবার ট্রাম্প তার টিমের নেতৃত্বে পরিবর্তন আনেন। এখন থেকে এই টিমের নেতৃত্ব দেবেন তার রানিংমেট মাইক পেন্স।
এর আগে এ দায়িত্ব পালন করছিলেন নিউজার্সির গভর্নর ক্রিস ক্রিস্টি। এখন তিনি এ ট্রানজিশন টিমে ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে কাজ করবেন।
টিম-ট্রাম্পে আরো থাকছেন— অ্যালাবামার সিনেটর জেফ সেসানস, মার্কিন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত লেফটেনেন্ট জেনারেল মাইক ফ্লিন, নিউইয়র্ক সিটির সাবেক মেয়র রুডি জুলিয়ানি, প্রতিনিধি পরিষদের সাবেক স্পিকার নিউট গিংরিচ, ড. বেন কারসন।
ট্রাম্প এক বিবৃতিতে বলেছেন, মাইক পেন্স তার নতুন প্রশাসন এমনভাবে সাজাবেন যাতে হোয়াইট হাউজে প্রথম দিন থেকেই তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন শুরু করতে পারেন।
এছাড়াও ট্রাম্প তার ক্ষমতা হস্তান্তর সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে পরামর্শ দেওয়ার জন্য ১৬ সদস্যের একটি নির্বাহী কমিটি ঘোষণা করেছেন, যাতে রয়েছে তার ৩ সন্তান, নির্বাচনী প্রচারণার সময় তার শীর্ষ উপদেষ্টাদের কয়েকজন। আগামী ১০ সপ্তাহ ধরে এ ট্রানজিশন টিম কাজ করবে।
ট্রাম্প রাজনীতিতে একেবারে অনভিজ্ঞ হওয়ায় কার্যকরভাবে রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য তার একটি শক্তিশালী মন্ত্রিসভা প্রয়োজন। ট্রাম্প প্রশাসনে যারা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেতে পারেন বলে জল্পনা চলছে, তাদের মধ্যে রয়েছেন নিউজার্সির গভর্নর ক্রিস ক্রিস্টি, সাবেক হাউজ স্পিকার নিউট গিংরিচ, রুডি জুলিয়ানি।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী পদে যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তাদের মধ্যে রয়েছেন জাতিসংঘে সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত জন বলটন, নিউট গিংরিচ, সিনেটে পররাষ্ট্র সম্পর্ক বিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান বব কর্কার। নিরাপত্তা উপদেষ্টা পদে মাইকেল ফ্লিনের নাম শোনা যাচ্ছে।
আসছে ২০ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নেবেন ট্রাম্প।