নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে শুরু হওয়া নজিরবিহীন বিক্ষোভ দ্বিতীয় সপ্তাহে গড়িয়েছে। এদিকে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার প্রশাসনের কর্মকর্তা বাছাই করছেন।
গণমাধ্যমে খবর বেরিয়েছে ট্রাম্প পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে পছন্দ করছেন নিউইয়র্ক শহরের সাবেক মেয়র রুডি জুলিয়ানিকে।
প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে নজীরবিহীন বিক্ষো্ভ শুরু হয়। প্রথম সপ্তাহ পেরিয়ে সে বিক্ষোভ দ্বিতীয় সপ্তাহে গড়িয়েছে।
সোমবারও দেশটির হাজার হাজার শিক্ষার্থী ক্লাস ছেড়ে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ বিক্ষোভ করেছে। শিক্ষার্থিদের এমন প্রতিবাদ হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে। এ সময় তারা ট্রাম্প আমাদের প্রেসিডেন্ট নয় বলে শ্লোগান দেয়।
এছাড়াও সিয়াটল, পোর্টল্যান্ড, ওরেগন, মন্টগমারি কাউন্টি, মেরিল্যান্ড এবং সানফ্রান্সিস্কো বে, নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রজুড়েই নানা শ্রেনিপেশার মানুষ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদে যোগ দেন।
দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া বিক্ষোভের মধ্যেই ট্রাম্প তার প্রশাসনের জন্য কর্মকর্তা বেছে নিচ্ছেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে নিউইয়র্কের সাবেক মেয়র রুডি জুলিয়ানিকে পছন্দ করছেন।
এর আগে হোয়াইট হাউজের চীফ অব ষ্টাফ হিসেবে রিপাবলিকান পার্টির শীর্ষ কর্মকর্তা রিয়ানস প্রিবাসকে এবং প্রধান কৌশলবিদ হিসেবে রক্ষণশীল মিডিয়া ব্যক্তিত্ব স্টিফেন ব্যানোনকে বেছে নিয়েছেন।
শীর্ষ কৌশলবিদ হিসেবে ব্যানোনকে বেছে নেয়ায় অনেকেই ট্রাম্পের সমালোচনা করছেন। তাদের শঙ্কা এই পদক্ষেপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের শ্বেত জাতীয়তাবাদী আন্দোলন হোয়াইট হাউসের শীর্ষ পর্যায়ে পৌঁছে যেতে পারে।
এদিকে, ঐতিহাসিক বিজয়ের জন্য রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ফোনে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানিয়ে প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার সাফল্য কামনা করেন।
ট্রাম্প জানান, তিনি রাশিয়ার সরকার ও দেশটির জনগণের সঙ্গে শক্তিশালী সম্পর্ক গড়ার জন্য সামনের দিকে তাকিয়ে আছেন।
চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং ফোনে ট্রাম্পকে অভিন্ন্দন জানিয়ে বলেছেন, সম্পর্কের জন্য সহযোগিতাই একমাত্র সঠিক পথ।
জবাবে ট্রাম্প জানান, দুইদেশের সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য তার সঙ্গে চীনের প্রেসিডেন্টের মধ্যে দৃঢ় সম্পর্ক গড়ে উঠবে বলেই তিনি বিশ্বাস করেন।