যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে আজ শপথ নিচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প— স্থানীয় সময় দুপুরে এবং বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায় যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসের ভবন ক্যাপিটলে শপথ নেবেন তিনি। অনুষ্ঠানে তার সমর্থক ও বিক্ষোভকারীসহ ৮ থেকে ৯ লাখ মানুষ উপস্থিত থাকবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এর আগে গতকাল রাতে ওয়াশিংটন ডিসির লিঙ্কন মেমোরিয়ালে তার অভিষেক কনসার্টে ট্রাম্প ঐক্যবব্ধ যুক্তরাষ্ট্র গড়তে তার প্রতিশ্রুতির কথা জানালেন। সবাইকে এক হয়ে কাজ করারও আহ্বান জানান তিনি।
কয়েক ঘণ্টা পরই যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় দুপুরে এবং বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায় যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসের ভবন ক্যাপিটলে এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানে শপথ নেবেন তিনি।
ধারণা করা হচ্ছে, বিতর্কিত এ প্রেসিডেন্টের শপথ অনুষ্ঠানে তার সমর্থক ও বিরোধীসহ ৮ থেকে ৯ লাখ মানুষ উপস্থিত থাকবেন। তবে ডেমোক্র্যাট দলের কংগ্রেস সদস্য, রাজনীতিবিদ ও বিনোদন জগতের অনেকেই ট্রাম্পের অভিষেক অনুষ্ঠানে যোগ দিচ্ছেন না বলে জানা গেছে।
এদিকে, শপথ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ভিড় এড়াতে কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত ব্যারিকেট দেয়া হয়েছে, মোতায়েন করা হয়েছে হাজার হাজার পুলিশ।
এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে ওয়াশিংটন ডিসির লিঙ্কন মেমোরিয়ালে তার অভিষেক কনসার্টে সমর্থকদের উদ্দেশে দেয়া ভাষণে ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রকে ঐক্যবব্ধ করার অঙ্গীকার করেন। একইসঙ্গে সবাইকে এক হয়ে কাজ করারও আহ্বান জানান।
আর ক্ষমতাগ্রহণের পর হোয়াইট হাউসে প্রথম দিনেই অভিবাসন নীতি কঠোর করা, যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল তোলা এবং বিদায়ী প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার নীতিগুলোর রাশ টেনে ধরার কাজ শুরু করবেন ট্রাম্প। এ বিষয়গুলোতে নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করার প্রস্তুতি নিয়েছেন তিনি।
এদিকে, প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ার আগেই বড় ধরনের সংকটের মুখে পড়তে হচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসনকে। ট্রাম্পের প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভায় বেশির ভাগই কোটিপতি ব্যবসায়ী অথবা সেনা বাহিনীর সাবেক জেনারেল। এ মন্ত্রিসভাকে ইতিহাসের সবচেয়ে অনভিজ্ঞ বলে অভিহিত করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
এখন পর্যন্ত ট্রাম্পের মন্ত্রিসভার কোনো সদস্য সিনেটের অনুমোদন পেয়ে তাদের নিয়োগ চূড়ান্ত করতে পারেনি। প্রতিপক্ষ ডেমোক্র্যাটদের সমালোচনার মুখে তাদের কারও কারো কারোর নিয়োগ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। অন্যদের নিয়োগ বিলম্বিত হচ্ছে।