যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মনোনিত শিক্ষামন্ত্রী বেটসি ডেভোস দায়িত্ব নেয়ার আগেই ভুলে ভরা এক টুইটের জন্য ব্যাপকভাবে সমালোচিত হচ্ছেন। যুক্তরাষ্ট্রের হবু শিক্ষামন্ত্রীর ১৭ শব্দের করা ওই টুইটে গ্রামারসহ অসংখ্য ভুল বের করেছেন তার সমালোচকরা।
এদিকে, অভিষেক অনুষ্ঠানে উপস্থিত গণমানুষের ছবি কায়দা করে কম দেখানোয় এবার সাংবাদিকদের ওপর রাগ ঝাড়লেন ট্রাম্পের প্রশাসনের কর্তারাও। হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ রিইন্স প্রিবাস বলেছেন- যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্পকে অবৈধ প্রতিপন্ন করতেই সাংবাদিকরা এমন ছবি প্রকাশ করেছে।
২০ জানুয়ারি প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপরই ট্রাম্পের শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে মনোনীত মিশিগানের বিলিয়নিয়ার বেটসি ডেভোস এক টুইট করেন। সেখানে বেটসি ওই অনুষ্ঠানকে বর্ণনা করেন 'হিস্টোরিকাল' ঘটনা হিসেবে, যদিও ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী তা হওয়া উচিত ছিল ‘হিস্টোরিক’।
যুক্তরাষ্ট্রের হবু শিক্ষামন্ত্রীর ১৭ শব্দের ওই টুইটে আরো কী কী ভুল আছে তা বের করতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে শুরু হয় তুমুল হাস্যরস।
ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে সমালোচনার কারণে কয়েক ঘন্টার মধ্যেই ওই টুইট মুছে ফেলা হয়। পরে দুঃখ প্রকাশ করে বেটসি বলেন, তিনি নয় বরং তার অ্যাসিস্ট্যান্টদের একজন ওই টুইট লেখেন।
এরইমধ্যে আবার অভিযোগ উঠেছে ট্রাম্প নাকি তার অভিষেক অনুষ্ঠানের কেক নকল করেছেন। ওয়াশিংটন পোস্টের আরেক প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্পের কেকের সঙ্গে সদ্য বিদায়ী প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার ২০১৩ সালের অভিষেকের কেকের লক্ষ্যণীয় মিল রয়েছে।
এদিকে, শনিবার অভিষেক অনুষ্ঠানে উপস্থিত গণমানুষের ছবি কায়দা করে কম দেখানোর অভিযোগ করে সাংবাদিকদের ওপর বেজায় রাগ ঝাড়েন ট্রাম্প। এবার তার প্রশাসনের হর্তকর্তারাও ওই ঘটনায় সাংবাদিকদের ওপর রাগ দেখালেন।
সাংবাদিকদের সমালোচনা করে হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ রিইন্স প্রিবাস ফক্স নিউজকে বলেন- ট্রাম্পকে অবৈধ প্রতিপন্ন করতেই সাংবাদিকরা এমন ছবি প্রকাশ করেছে। তবে ট্রাম্প প্রশাসন ওই ছবি গ্রহণ করেনি বলে জানান প্রিবাস।
ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করছে, তার অভিষেক অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন প্রায় সাত লাখ ২০ হাজার মানুষ, যা এ যাবত কালের মধ্যে কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের অভিষেক অনুষ্ঠানে অংশ নেয়া সর্বোচ্চ সংখ্যাক মানুষ।