যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন সীমিত করতে সিরীয় শরণার্থী প্রবেশ নিষিদ্ধ করে একটি নির্বাহী আদেশে সই করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ আদেশ অনুযায়ী পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সিরিয়ার কোনো শরণার্থী যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবেন না।
শুক্রবার একটি গণমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাতকারে ট্রাম্প বলেন, ভবিষ্যতে সিরীয় শরণার্থীদের মধ্যে খ্রীস্টানদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে অগ্রাধিকার দেয়া হবে।
এদিকে, ট্রাম্পের নেয়া এসব পদক্ষেপকে বৈষম্যমূলক উল্লেখ করে নিন্দা জানিয়েছে নাগরিক অধিকারবিষয়ক সংগঠনগুলো।
সিরিয়াসহ সাতটি মুসলিম দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে তিন মাসের জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ আদেশ অনুযায়ী পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সিরিয়ার কোনো শরণার্থী যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবে না।
পাশাপাশি দেশটিতে ৪ মাসের জন্য সব দেশের শরণার্থী প্রবেশ নিষিদ্ধ করে শুক্রবার এক নির্বাহী আদেশে সই করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেন জেমস ম্যাটিসের শপথ অনুষ্ঠানের পরই এ নির্বাহী আদেশে সই করেন ট্রাম্প।
এ সময় প্রেসিডেন্ট দাবি করেন, তার নেওয়ার এসব পদক্ষেপগুলো মার্কিন নাগরিকদের উগ্রবাদী ইসলামপন্থী সন্ত্রাসীদের হাত থেকে রক্ষা করবে।
শুক্রবার মিডিয়াকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ভবিষ্যতে সিরীয়দের মধ্যে যারা আশ্রয়ের আবেদন করবে, তাদের মধ্যে খ্রীস্টান শরণার্থীদেরকেই শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
শরণার্থীদের ব্যাপারে ট্রাম্পের নেয়া এসব কড়া পদক্ষেপকে বৈষম্যমূলক উল্লেখ করে নিন্দা জানিয়েছে নাগরিক অধিকার বিষয়ক সংগঠনগুলো।
এদিকে, শনিবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ফোনালাপে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, তিনি রাশিয়ার সঙ্গে ভালো সম্পর্ক চান। তবে ক্রেমলিনের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার সময় এখনো আসেনি বলেও জানান তিনি।
এর আগে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টেরিজা মে'র সঙ্গে বৈঠকের পর এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে, যুক্তরাজ্যের মতো রাশিয়া, চীনসহ অন্য দেশগুলোর সঙ্গেও সুসম্পর্ক রাখার আগ্রহ প্রকাশ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।