সৌদি আরবের সঙ্গে ৩৫ হাজার কোটি ডলারের চুক্তি সই করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রতিরক্ষা, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো খাতে হওয়া সবগুলোর চুক্তির মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ১১ হাজার কোটি ডলারের অস্ত্র চুক্তি।
সফরের দ্বিতীয় দিন রোববার রিয়াদে 'আরব-ইসলামিক-আমেরিকান' শীর্ষ সম্মেলনের যোগ দেবেন ট্রাম্প। সম্মেলনে শান্তিপূর্ণ ইসলামের আশাবাদ নিয়ে বক্তব্য দেবেন তিনি। তার বক্তব্যের ফলে আইএস দমনে যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপ সমর্থন পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সৌদি আরব সফরে রয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে এটিই তার প্রথম বিদেশ সফর। ট্রাম্প সৌদি আরবে পৌঁছানোর পরই তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজ আল সৌদ।
সফরের প্রথম দিন শনিবার বাদশাহ সালমান ও ট্রাম্পের মধ্যে এক বৈঠকের পর যুক্তরাষ্ট্র-সৌদি আরবের মধ্যে বাণিজ্য খাতে ৩৫ হাজার কোটি ডলারের চুক্তি সই হয়েছে। অস্ত্রখাতে বরাদ্দ হয়েছে ১১ হাজার কোটি ডলার।
পরে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দেল আল জোবায়ের বলেন, দেশ দুটির মধ্যে সরকারি-বেসরকারি খাতে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, এবং অবকাঠামো নির্মাণের ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি চুক্তি সই হয়েছে।
এ সময় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন বলেন, সৌদি আরবের আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বী ইরানের হুমকি মোকাবিলার উদ্দেশ্যেই অস্ত্র চুক্তি হয়েছে। প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম এবং অন্যান্য সহযোগিতা সৌদি আরব এবং সমগ্র উপসাগরীয় অঞ্চলকে নিরাপত্তা দেবে।
এছাড়াও দেশদুটি বিভিন্ন ক্ষেত্রে একসঙ্গে কাজের অঙ্গীকার হিসেবে 'জয়েন্ট স্ট্র্যাটেজিক ভিশন ডিক্লারেশন' স্বাক্ষর করে।
সফরের প্রথম দিন ট্রাম্প ও তার প্রশাসনের মন্ত্রীদের অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে তলোয়ার হাতে বাদশাহ সালমানের সঙ্গে নাচে অংশ নেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।
সৌদি সফর শেষে ইসরায়েল, ফিলিস্তিন, ব্রাসেলস, ভ্যাটিকান এবং সিসিলি সফর করবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।