যুক্তরাজ্যের ম্যনচেস্টারে কনসার্টে আত্মঘাতী বোমা হামলাকারী একটি চক্রে জড়িত থেকে হামলাটি চালায় বলে মনে করছে পুলিশ। এ চক্রটিকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে তারা। হামলায় জড়িত সন্দেহে এ পর্যন্ত বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদের মধ্যে লিবিয়া থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে হামলাকারীর বাবা ও ছোট ভাইকে এবং ম্যানচেস্টার থেকে বড় ভাইকে। তদন্ত খুব দ্রুতই এগুচ্ছে বলে জানিয়েছেন ম্যানচেস্টারের পুলিশ প্রধান।
যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টারে স্থানীয় সময় সোমবার রাতে স্ত্রাসী হামলার জেরে এ পর্যন্ত বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। এরমধ্যে হামলাকারী সালমান আবেদির বাবা এবং ভাইকে লিবিয়া থেকে আটক করা হয়েছে। আগেই তার আরেক ভাইকে আটক করা হয় ম্যানচেস্টার থেকে।
পুলিশ ধারণা করছে ওই হামলার পেছনে একটি নেটওয়ার্ক কাজ করছে। তাদের দাবি হামলায় ব্যবহৃত বিস্ফোরক হামলাকারীর নিজের তৈরি নয়। বোমা তৈরীর সূত্র খুঁজে বের করতে তাদের জোর তৎপরতা চলছে।
এরইমধ্যে ঘটনাস্থলের ছবি ও তথ্য প্রকাশ করে তোপের মুখে পড়েছে নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকা। ব্রিটিশ পুলিশ বলছে, এগুলো ফাঁস হওয়ার ফলে পুলিশের তদন্ত কাজ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, এবং মার্কিন গোয়েন্দা বাহিনীর সঙ্গে পারস্পরিক আস্থা বিনিময়ের ক্ষেত্রে সংকট তৈরি হয়েছে।
এদিকে, হামলাকারী সালমান আবেদি ম্যানচেস্টারের ডিডসবারি মসজিদে নিয়মিত নামাজ পড়তেন বলে তার পরিচিতজনরা জানিয়েছেন। এমনকি তার বাবা সেখানে বেশ কিছুদিন মুয়াজ্জিনের দায়িত্ব পালন করেন বলেও বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যম এরইমধ্যে খবর দিয়েছে।
এ নিয়ে বুধবার মসজিদ কর্তৃপক্ষ একটি বিবৃতি দিয়েছে, যেখানে দাবি করা হয়েছে, সালমান কখনোই ম্যানচেস্টার ইসলামিক সেন্টারের কর্মী ছিলেন না। মসজিদটি মুসলিম-অমুসলিম সবার জন্যই খোলা বলে দাবি করে, আত্মঘাতী ওই হামলার তীব্র নিন্দা জানায় মসজিদ কর্তৃপক্ষ।