পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের পদত্যাগের ঘটনায় দেশটির গণতান্ত্রিক ধারায় সংকট দেখা দিতে পারে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। একই সঙ্গে ক্ষমতার পালাবদলে সামরিক শাসনের সম্ভাবনা রয়েছে বলেও ধারনা করছেন তারা।
এ ঘটনায় ভারতসহ মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্কে নতুন মেরুকরণের আংশকা রয়েছে বলেও মত দিয়েছেন বিশ্লেষকরা। আর সেই আশংকা থেকেই তাদের পরামর্শ হচ্ছে- বাংলাদেশকে পাকিস্তানের সঙ্গে পররাষ্ট্র নীতির পাশাপাশি সামষ্টিক তৎপরতার দিকে জোর দিতে হবে।
পানামা পেপার্স কেলেঙ্কারির মামলার রায়ে ২৮ জুলাই পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট 'অযোগ্য' ঘোষণা করার পর পদত্যাগ করেন দেশটির তিনবারের প্রধানমন্ত্রী নেওয়াজ শরিফ।
সাংবিধানিক মেয়াদপূর্তির আগেই পদত্যাগ করতে হল তাকে। এর আগেও নব্বই দশকে ক্ষমতায় থাকা দুইবারই সাংবিধানিক মেয়াদপূর্তির আগেই ক্ষমতা ছাড়তে হয়েছিল নেওয়াজ শরিফকে।
এ ঘটনায় দেশটি গণতন্ত্র সংকটে পড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
তারা বলেন, পাকিস্তানের পরবর্তী রাজনীতিতে ভিন্ন দিক-নির্দেশনা আসতে পারে।
প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের এই ঘটনায় পাকিস্তানের আন্তর্জাতিক সম্পর্কে নতুন মেরুকরণ ঘটতে পারে বলেও ধারনা করছেন তারা।
আর এ কারণেই বাংলাদেশকে পাকিস্তানের সার্বিক বিষয়ে নজর দেয়ার পরামর্শ তাদের।
একদিকে গণতন্ত্র সংকট অন্যদিকে দুর্নীতি এরকম পরিস্থিতিতে পাকিস্তানকে সোজা হয়ে দাঁড়াতে কিছুটা সময় লাগবে বলেও মত বিশ্লেষকদের।