রোহিঙ্গা সংকটে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ— সেইসঙ্গে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীকে সংযমের আহ্বান জানানো হয়েছে।
এদিকে, মিয়ানমারের রাখাইনে সহিংসতার কারণে উদ্বাস্তু হয়ে পড়েছে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার মানুষ যাদের অধিকাংশই রোহিঙ্গা মুসলিম।
সেখানকার বিভিন্ন শিবিরে আশ্রয় নেয়া এসব রোহিঙ্গা খাবার সরবরাহ ও স্বাস্থ্যসেবা না পেয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের সহায়তার অভিযোগ আনার পর ত্রাণ সহায়তা স্থগিত করে দেয় জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো।
মিয়ামানেরর রাখাইনে সাম্প্রতিক সহিংসতায় নিহত হয়েছে চারশো জন— এ তথ্য দেশটির সেনাবাহিনীর।
তবে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিহত এ চারশো জনের মধ্যে ৩৭০জনই রোহিঙ্গা বিদ্রোহী।
এদিকে, সেনাবাহিনীর দমন পীড়ন শুরুর পর থেকে ঘরহারা হয়েছে প্রায় এক লাখ ২০ হাজার মানুষ যাদের অধিকাংশই রোহিঙ্গা, তারা না পাচ্ছে খাবার না স্বাস্থ্যসেবা।
জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো বলছে, দেশটির সরকার তাদের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের সহায়তার অভিযোগ আনার পর থেকে তাদের মধ্যে ত্রাণ সরবরাহ স্থগিত করা হয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, নির্যাতনের প্রভাব গিয়ে পড়েছে রাখাইনের রাজধানী সিতো'তে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের মধ্যেও।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী রাখাইনে ২০১২ সালে সহিংসতার পর থেকে রাজধানী সিতোতে ক্যাম্পে আছে প্রায় ৯০ হাজার রোহিঙ্গা।
এদিকে, এসব ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতারেস। তিনি এ পরিস্থিতিকে মানবিক বিপর্যয়ের ভয়াবহতা বলে আখ্যা দিয়েছেন। মিয়ানমারের সেনাবাহিনীকে সংযমের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবেলার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।