মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গা নিধন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী লি সিয়েন লুং।
মঙ্গলবার এক যৌথ বিবৃতিতে এ কথা জানান দুই নেতা। সোমবার তারা হোয়াইট হাউসে বৈঠক করেন।
পরে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী উভয়ই বৈঠকে রাখাইনে রোহিঙ্গা নিধন ও বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
মিয়ানমার সরকারকে এই সংকট সমাধানের আহ্বান জানান তারা।
ক্ষতিগ্রস্তদের কাছে মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেয়ার আহ্বান জানিয়ে দুই নেতা বলেন, সহিংসতা বন্ধ, শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা এবং রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসন করা জরুরি।
কফি আনান নেতৃত্বাধীন রাখাইন বিষয়ক অ্যাডভাইজরি কমিটির সুপারিশ বাস্তবায়নেরও আহ্বান জানান তারা।
যৌথ বিবৃতিতে মিয়ানমারে ত্রাণ সরবরাহ নিয়ে আসিয়ানের পাশে থাকার কথা জানান ট্রাম্প ও লি।
এদিকে, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর রাখাইনে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সেনা অভিযানকে জাতিগত শুদ্ধি অভিযান হিসেবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার বিষয়টি বিবেচনা করছে বলে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
পরাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসনের কাছে এ সপ্তাহেই পাঠানোর জন্য একটি সুপারিশমালা প্রস্তুত করছেন, যাতে রোহিঙ্গা নিধনকে জাতিগত শুদ্ধি অভিযান হিসেবে বর্ণনা করা হবে।
যুক্তরাষ্ট্র এরইমধ্যে রাখাইনের রোহিঙ্গা নিধনে জড়িত সেনা ইউনিট ও কর্মকর্তাদের প্রতি সামরিক সহায়তা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্র মিয়ানমারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা ভাবছে বলে হুঁশিয়ার করে দিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রাখাইনে সহিংসতার পেছনে যে বা যারাই জড়িত থাকুক না কেন তাদের বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।