রাখাইনে জাতিসংঘকে খাদ্য সরবরাহের সুযোগ দিতে সম্মত হয়েছে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ।
শুক্রবার বিশ্বখাদ্য কর্মসূচি ডব্লিউ এফ পির মুখপাত্র বেটিনা লুয়েসছার জেনেভায় এ কথা জানিয়েছে।
সেখানে গত দুই মাস ধরে খাদ্য সরবরাহ স্থগিত রয়েছে।
রাখাইনে সেনা নির্যাতনের মুখে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে ৬ লাখ রোহিঙ্গা।
এদিকে, আন্তর্জাতিক চাপের মুখে রাখাইনের সহিংসতা কবলিত মংডু ও বুথিডাউং শহর থেকে আংশিক সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। বৃহস্পতিবার দেশটির সেনাপ্রধানের কার্যালয় এই তথ্য জানিয়েছে।
সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাংয়ের কার্যালয় জানায়, রাখাইনের মংডু ও বুথিডাউং শহরে ক্লিয়ারেন্স অভিযানে সেনাবাহিনীর কয়েকটি কলামকে প্রত্যাহার করা হবে।
এছাড়া মিয়ানমারের ডি ফ্যাক্টো নেতা অং সান সু চির মতো সেনাপ্রধানের কার্যালয় দাবি করে গত ৫ সেপ্টেম্বর থেকে রাখাইনে সেনা অভিযান বন্ধ রয়েছে। সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে এর বেশি কিছু জানানো হয়নি।
এক বিবৃতিতে বলা হয়, প্রত্যাহার করা সেনারা রাখাইনের রাজধানী সিতেতে অবস্থান করবে।
২৫ আগস্ট রাখাইন প্রদেশে সহিংসতার পর রোহিঙ্গাদের উপর নিধনযজ্ঞ শুরু করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। হত্যা ও ধর্ষণ থেকে বাঁচতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে ছয় লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা। এখনও প্রতিদিন আসছে রোহিঙ্গা। জাতিসংঘ মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর অভিযানে জাতিগত নিধনের অভিযোগ তুলেছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো অভিযোগ তুলেছে রাখাইনে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে।
গত ২৫ আগস্ট থেকে রাখাইন রাজ্য সেনাবাহিনী দমন পীড়ন চলায় তারা। আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়া রোহিঙ্গাদের ঘরবাড়ি।