স্পেনের প্রধানমন্ত্রী মারিয়ানো রাহয় কাতালান পার্লামেন্টে ভেঙে দিয়েছেন একইসঙ্গে তিনি আগাম স্থানীয় নির্বাচনেরও ঘোষণা দিয়েছেন। এদিকে, স্পেনের সাংবিধানিক আদালত এই ঘোষণাকে অবৈধ বলে রায় দেবে। কারণ, যুক্তরাজ্য, জার্মানী ও ফ্রান্স সকলে স্পেনের ঐক্যের পক্ষে।
শুক্রবার কাতালোনিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণার পরপরই স্প্যানিশ প্রধানমন্ত্রী পার্লামেন্ট ভেঙে আগাম নির্বাচন দেয়ার এ ঘোষণা দেন।
তিনি বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কাতালোনিয়ায় নজিরবিহীন প্রত্যক্ষ শাসন জারি জরুরি।
তিনি কাতালান নেতা কার্লেস পুজেমন ও তার মন্ত্রীসভাকেও বরখাস্ত করেন।
সাংবিধানিক আদালতের রায় উপেক্ষা করে কাতালানের নেতৃবৃন্দ স্বাধীনতার জন্যে গণভোটের আয়োজনের পর কেন্দ্রের সাথে তাদের সংকট শুরু হয়। সাংবিধানিক আদালত এ গণভোটকে অবৈধ বলে রায় দেয়।
এদিকে শুক্রবার ১৩৫ আসন বিশিষ্ট কাতালান সংসদে স্বাধীনতা ঘোষণার পক্ষে ৭০টি ভোট পড়ে। ১০জন এর বিরোধিতা করে এবং দুইজন ভোট দেয়া থেকে বিরত থাকে।
কাতালান নেতা কার্লেস পুজেমন শান্তিপূর্ণভাবে এই চেতনা ধরে রাখতে সমর্থকদের প্রতি আহ্বান জানান।
এদিকে, স্পেনের সাংবিধানিক আদালত এই ঘোষণাকে অবৈধ বলে রায় দেবে। কারণ, যুক্তরাজ্য, জার্মানী ও ফ্রান্স সকলে স্পেনের ঐক্যের পক্ষে।
ইউরোপের বড় বড় কোনো শক্তিই কাতালোনিয়ার স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দেবে না। যুক্তরাষ্ট্রও কাতালোনিয়ার স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দেবে না বল জানানো হয়েছে।
স্পেনের সার্বভৌমত্বের প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করেছে জার্মানি। অন্যদিকে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী মারিয়ানা রাহয়-এর কাজের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে ফ্রান্স।
ব্রিটেন বলেছে, স্পেনের অখণ্ডতা অটুট থাকুক এবং তাদের সংবিধান সমুন্নত থাকুক এটি তাদের প্রত্যাশা।
ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী টেরিজা মে'র একজন মুখপাত্র বলেন, যে গণভোটের উপর ভিত্তি করে কতালোনিয়া স্বাধীনতা ঘোষণা করেছে সে গণভোট অবৈধ।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, কাতালোনিয়া স্পেনের অখণ্ড অংশ।
বড় কোনো বিদেশী রাষ্ট্রের কোনো স্বীকৃতি বা সমর্থন না পেলেও স্বাধীনতার দাবীতে অনড় রয়েছে কাতালোনিয়া বিরাট একটি অংশ।
কাতালোনিয়া স্পেন থেকে নিজেদের স্বাধীনতার ঘোষণা দেয়ার প্রতিক্রিয়ায় কাতালোনিয়ার সংসদ ভেঙে দিয়ে সেখানে কেন্দ্রের শাসন জারি করেছে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী মারিয়ানা রাহয়।
স্পেনের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, কাতালোনিয়াতে 'স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনতে' কেন্দ্রের এই হস্তক্ষেপ জরুরি