ইরাক ও ইরানের উত্তর সীমান্তে ৭ দশমিক ৩ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা ৪০০ ছাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছে ৭ হাজারেরও বেশি মানুষ। অসংখ্য মানুষ এখনো ধ্বংসস্তুপের নিচে আটকা পড়ে আছেন।
এদিকে, ভূমিকম্পের পর এ পর্যন্ত শতাধিক পরাঘাত রেকর্ড করেছে ইরানের ভূমিকম্প বিষয়ক কেন্দ্র। আরো পরাঘাত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
স্থানীয় সময় রোববার রাত সোয়া নয়টার দিকে ইরান-ইরাকের বিস্তীর্ন এলাকা প্রকম্পিত করে ৭ দশমিক ৩ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পটি। যুক্তরাষ্ট্রের ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল ইরান সীমান্তবর্তী ইরাকের কুর্দিস্থানের সুলাইমানিয়া প্রদেশের পেঞ্জভিনে, ভূগর্ভের ৩৩ দশমিক ৯ কিলোমিটার গভীরে।
ভূমিকম্পের সময় আতঙ্কে লোকজন রাস্তায় নেমে আসেন। ভূমিকম্পের পরপরই কিছু গ্রামে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ব্যাহত হয় টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থাও।
ভূমিকম্পটি ইরানের বেশ কয়েকটি প্রদেশে অনুভূত হলেও, সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে- দেশটির কারমান শাহ প্রদেশ। নিহতদের বেশিরভাগই এই প্রদেশের বাসিন্দা। আহত হয়েছে এই অঞ্চলের অন্তত চার হাজার মানুষ। মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কমপক্ষে ৭০ হাজার মানুষের জরুরি ভিত্তিতে সহায়তা প্রয়োজন বলে জানিয়েছে স্থানীয় একটি ত্রাণ সংস্থা।
ইরাকে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সুলাইমানিয়া শহরের ৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণের শহর দারবান্দিখান। সেখানে কারো মৃত্যু না হলেও আহত হয়েছে অনেকে। ইরাক-ইরান ছাড়াও ভূ-কম্পনটি তুরস্ক, আর্মেনিয়া, জর্ডান লেবানন, সৌদি আরব, বাহরাইন ও কাতারেও অনুভূত হয়েছে।