মিয়ানমারের রাখাইনে সেনা নিধন থেকে বাঁচতে আরও শতাধিক রোহিঙ্গা সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। তাদের অভিযোগ, রাখাইনে এখনো নির্যাতন-নিপীড়ন চলছে। এর ফলে পরিকল্পিত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।
ঢাকার গোয়েন্দা সূত্র এবং কক্সবাজারে ত্রাণ কর্মীদের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, বুধবার ভোরে একটি নৌযানে করে ৫৩ জন রোহিঙ্গা নাফ নদী অতিক্রম করে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করে। আর বৃহস্পতিবার সকালে আরও একটি নৌযানে করে এসেছে ৬০ জন রোহিঙ্গা।
এছাড়া আরও অনেকেই নাফ নদীর ওপারে অপেক্ষা করছে বাংলাদেশে ঢোকার জন্য। রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন নিয়ে গত মঙ্গলবার একটি চুক্তি সই করেছে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার। ২৩ জানুয়ারি এই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা।
এদিকে, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ায় উদ্বেগ জানিয়ে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, রোহিঙ্গারা তাদের গ্রামে ফিরতে পারবে নাকি ক্যাম্পে থাকবে সে বিষয়টি স্পষ্ট করা দরকার।
বিশ্বব্যাপী রোহিঙ্গা সংগঠনগুলোও এ বিষয়ে এক যৌথ বিবৃতি দিয়েছে। এতে উদ্বেগ প্রকাশ করে তারা বলেছে, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন সংক্রান্ত যে কোনো চুক্তিতে 'ন্যূনতম শর্ত হিসেবে' নাগরিকত্ব, চলাচলের স্বাধীনতা ও কর্মসংস্থানে প্রবেশের সুযোগ থাকতে হবে।